Lama ০৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী মেঠো পথের একজন আবদুল মান্নান

লামা রুপসিপাড়া ইউনিয়নে অবহেলার চিত্র বদলে দিতে চান

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে লামা উপজেলার ৬ নং রুপসিপাড়া ইউনিয়নে তৃণমুল থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থীতা করবেন আঃ মান্নান।

গ্রামের একজন সাধারণ মানুষ, সবার সাথে মিশুক এবং সকল শ্রেণির সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে গভীরভাবে যুক্ত আব্দুল মান্নান প্রকাশ মান্নান কোম্পানি। সে এমন একজন গ্রামীণ সমাজে বাসকরা ব্যক্তি; যার চেয়ারম্যান প্রার্থিতা করার ইচ্ছে পোষণ করার বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন তৃণমুলের মানুষ।

​গ্রামে কোনো আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন হয় না তার জন্য। কোনো সাধারণ মানুষের প্রয়োজন কিংবা বিপদে যিনি প্রতিধ্বনি হয়ে পাশে দাঁড়ান, তিনি অন্য কেউ নন; সবার পরিচিত মুখ মান্নান কোম্পানি। কেবল পোশাক বা পদবীতে নয়, চালচলন ও সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে সম্পর্কের গভীরতায় যিনি পুরোপুরি গ্রামেরই একজন।

রুপসিপাড়া ইউনিয়নের আসন্ন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এখন সর্বস্তরের মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এই মান্নান কোম্পানি।

​এলাকায় কৃষিকাজ, ছোট কিংবা মাঝারি ব্যবসা পরিচালনা করলেও তার মূল পরিচয় ব্যবসা নয়; বরং তার সাধারণ জীবনযাপন ও অকৃত্রিম মিশুক ভাব। সকালে রাস্তার পাশে দোকানে চা খাওয়া থেকে শুরু করে, বিকেলে মেঠো পথে হাঁটতে হাঁটতে প্রতিটি মানুষের সাথে হাসিমুখে কুশল বিনিময়; এটাই তার নিত্যদিনের অভ্যাস। গ্রামের আবালবৃদ্ধবনিতা ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবার কাছেই তিনি এক নামে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য।

আব্দুল মান্নান যৌবনে কাঠ মেস্তরী কাজ করতেন। সে কাজের সুবাধে একটা সময় বান্দরবানের রাজ পরিবারের সাথে তার ঘনিষ্টতা তৈরি হয়। প্রয়াত রাজা (সাবেক মন্ত্রী) মং শৈ প্রু চৌধুরীর জীবদ্দশায় প্রানবন্ত আলাপচারিতায় আমোদি আব্দুল মান্নান রাজ পরিবারের তৎকালীন বয়োজ্যেষ্ঠ রাজার স্নেহধন্য হন।

হালনাগাদ একজন সাধারণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর বাহিরে আব্দুল মান্নান নিজেই একজন কৃষক। তাই গ্রামের প্রতিটি কৃষক জুমিয়াদের সাথে তার নিবিড় আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। তিনি নিজেই মাটির গন্ধ চেনা মানুষ।

সার ও বীজের বাজারদর থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতির কষ্ট, সবই তিনি উপলব্ধি করেন নিজের জীবন বাস্তবতা দিয়ে। ফসলের মাঠ পরিদর্শন করে কৃষকদের মুখে সুখ-দুঃখের গল্প শোনা কিংবা সার বীজ, সেচ ও পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সোচ্চার হওয়া তার পুরনো স্বভাব।

রুপসিপাড়া ইউনিয়নের দুর্গম পল্লিতে বসবাসকারী জুমিয়া কৃষকদের ভাষ্য, “তিনি শুধু আমাদের কথা শুনতেই আসেন না, বিপদে-আপদে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সবচেয়ে আগে হাত বাড়িয়ে দেন।”

​তার চাঁদের গাড়ি, ট্রাক্টর, সেচযন্ত্রপাতি থাকায় গ্রামে তাকে সবাই কোম্পানি হিসেবে সম্বোধন করেন। আব্দুল মান্নান কোম্পানী চেয়ারম্যান প্রার্থিতা করার ঘোষণার বিষয়ে এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিত্বদের সাথে কথা বললে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ একজন মাটির কাছাকাছি থাকা নেতৃত্ব খুঁজছিলেন। যার দরজায় গিয়ে দাঁড়াতে কোনো প্রটোকল লাগবে না, যাকে মনের কথা বলতে কোনো দ্বিধা কাজ করবে না। এলাকাবাসীর তীব্র দাবি ও স্থানীয় কৃষকদের অনুরোধেই তিনি এবার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

​এ বিষয়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মান্নান বান্দরবান ট্রিবিউনকে জানান, ​”আমি ক্ষমতার জন্য বা নিজের আখের গোছাতে চেয়ারম্যান হতে চাই না। আমি এই মাটির সন্তান, সাধারণ মানুষ ও কৃষক হিসেবে কৃষক জুমিয়াদের ভালোবাসা নিয়েই বেঁচে আছি। রুপসিপাড়া ইউনিয়নে দুর্গম গ্রামের কৃষক জুমিয়া ও খেটে খাওয়া মানুষগুলো বছরের পর বছর অবহেলিত। তাদের গ্রামীন যোগাযোগ উন্নত, ন্যায্য অধিকার আদায়, উৎপাদিত কৃষিপণ্য হাটে-বাজারে বিক্রির ক্ষেত্রে অন্যায় দূর করা এবং ইউনিয়ন পরিষদকে সর্বসাধারণের উন্মুক্ত সেবাকেন্দ্রে পরিণত করতেই আমি নির্বাচনী মাঠে নেমেছি।”

এক প্রশ্নের উত্তরে আব্দুল মান্নান বলেন, “আমরা জন্মগতভাবে বিএনপি করে আসছি। ছোটখাটো সাংগঠনিক দায়িত্বেও ছিলাম। নির্বাচন করার ইচ্ছে আছে মানুষের সমর্থন ও মহান আল্লাহর হুকুম থাকলে ইনশাল্লাহ করবো। বিএনপিকে মনপ্রাণে ধারণ করি, ভালোবাসী। প্রার্থীতার ক্ষেত্রে দলীয়ভাবে বাঁধা আসবে বলে কোনো কারন নেই বলে আমি মনে করি।”

ইউনিয়নের সর্বস্তরের তরুণ, ব্যবসায়ী এবং কৃষক সমাজের মধ্যে মান্নান কোম্পানির প্রার্থিতা নিয়ে তৈরি হয়েছে দারুণ উৎসাহ-উদ্দীপনা।

স্থানীয়দের মতে, ধনকুবের বা প্রটোকল-সর্বস্ব নেতার চেয়ে এমন একজন মানুষ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের প্রতিটি অবহেলিত প্রান্তেরের কথা সরকারের কাছে পৌঁছাবে।

গ্রামের উচুঁনিচু ​মেঠো পথ, ফসলের মাঠ আর গ্রামীণ হাটের আড্ডায় ক্রমেই জমে উঠতেছে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রুপসিপাড়া ইউনিয়নে আবদুল মান্নানের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনী আমেজ। এখন দেখার বিষয়, মাটি ও মানুষের একেবারেই কাছে থাকা এই সদা আমোদিত মানুষটিকে ইউনিয়নবাসী কতটা সাদরে গ্রহণ করেন।

এক নজরে রুপসিপাড়া ইউনিয়ন: রুপসিপাড়া ইউনিয়নের মোট আয়তন: ৯০.৬৫ বর্গ কিলোমিটার। পরিবার সংখ্যা: ২৬৯৫, ভোটার: কমবেশি সাড়ে ৯ হাজার। নারীপুরুষ সমান প্রায় সমান সংখ্যক। উল্লেখযোগ্য গ্রাম ৭টি, ২০২২ সালের শুমারি অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা: ১৪৫১৬ জন। এরমধ্যে মুসলিম : ৮২৮৫, বৌদ্ধ: ৪৯৬৮, খ্রী: ৪৩৯, হিন্দু: ১৮, অন্যান্য ৮০৬ জন। এর মধ্যে ম্রো জনসংখ্যা ২৪৯২।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

কাপ্তাইয়ে নজরুল বর্ষে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন: 

Bandarban Tribune

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী মেঠো পথের একজন আবদুল মান্নান

লামা রুপসিপাড়া ইউনিয়নে অবহেলার চিত্র বদলে দিতে চান

Update Time : ০৫:১৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে লামা উপজেলার ৬ নং রুপসিপাড়া ইউনিয়নে তৃণমুল থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থীতা করবেন আঃ মান্নান।

গ্রামের একজন সাধারণ মানুষ, সবার সাথে মিশুক এবং সকল শ্রেণির সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে গভীরভাবে যুক্ত আব্দুল মান্নান প্রকাশ মান্নান কোম্পানি। সে এমন একজন গ্রামীণ সমাজে বাসকরা ব্যক্তি; যার চেয়ারম্যান প্রার্থিতা করার ইচ্ছে পোষণ করার বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন তৃণমুলের মানুষ।

​গ্রামে কোনো আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন হয় না তার জন্য। কোনো সাধারণ মানুষের প্রয়োজন কিংবা বিপদে যিনি প্রতিধ্বনি হয়ে পাশে দাঁড়ান, তিনি অন্য কেউ নন; সবার পরিচিত মুখ মান্নান কোম্পানি। কেবল পোশাক বা পদবীতে নয়, চালচলন ও সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে সম্পর্কের গভীরতায় যিনি পুরোপুরি গ্রামেরই একজন।

রুপসিপাড়া ইউনিয়নের আসন্ন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এখন সর্বস্তরের মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এই মান্নান কোম্পানি।

​এলাকায় কৃষিকাজ, ছোট কিংবা মাঝারি ব্যবসা পরিচালনা করলেও তার মূল পরিচয় ব্যবসা নয়; বরং তার সাধারণ জীবনযাপন ও অকৃত্রিম মিশুক ভাব। সকালে রাস্তার পাশে দোকানে চা খাওয়া থেকে শুরু করে, বিকেলে মেঠো পথে হাঁটতে হাঁটতে প্রতিটি মানুষের সাথে হাসিমুখে কুশল বিনিময়; এটাই তার নিত্যদিনের অভ্যাস। গ্রামের আবালবৃদ্ধবনিতা ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবার কাছেই তিনি এক নামে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য।

আব্দুল মান্নান যৌবনে কাঠ মেস্তরী কাজ করতেন। সে কাজের সুবাধে একটা সময় বান্দরবানের রাজ পরিবারের সাথে তার ঘনিষ্টতা তৈরি হয়। প্রয়াত রাজা (সাবেক মন্ত্রী) মং শৈ প্রু চৌধুরীর জীবদ্দশায় প্রানবন্ত আলাপচারিতায় আমোদি আব্দুল মান্নান রাজ পরিবারের তৎকালীন বয়োজ্যেষ্ঠ রাজার স্নেহধন্য হন।

হালনাগাদ একজন সাধারণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর বাহিরে আব্দুল মান্নান নিজেই একজন কৃষক। তাই গ্রামের প্রতিটি কৃষক জুমিয়াদের সাথে তার নিবিড় আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। তিনি নিজেই মাটির গন্ধ চেনা মানুষ।

সার ও বীজের বাজারদর থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতির কষ্ট, সবই তিনি উপলব্ধি করেন নিজের জীবন বাস্তবতা দিয়ে। ফসলের মাঠ পরিদর্শন করে কৃষকদের মুখে সুখ-দুঃখের গল্প শোনা কিংবা সার বীজ, সেচ ও পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সোচ্চার হওয়া তার পুরনো স্বভাব।

রুপসিপাড়া ইউনিয়নের দুর্গম পল্লিতে বসবাসকারী জুমিয়া কৃষকদের ভাষ্য, “তিনি শুধু আমাদের কথা শুনতেই আসেন না, বিপদে-আপদে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সবচেয়ে আগে হাত বাড়িয়ে দেন।”

​তার চাঁদের গাড়ি, ট্রাক্টর, সেচযন্ত্রপাতি থাকায় গ্রামে তাকে সবাই কোম্পানি হিসেবে সম্বোধন করেন। আব্দুল মান্নান কোম্পানী চেয়ারম্যান প্রার্থিতা করার ঘোষণার বিষয়ে এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিত্বদের সাথে কথা বললে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ একজন মাটির কাছাকাছি থাকা নেতৃত্ব খুঁজছিলেন। যার দরজায় গিয়ে দাঁড়াতে কোনো প্রটোকল লাগবে না, যাকে মনের কথা বলতে কোনো দ্বিধা কাজ করবে না। এলাকাবাসীর তীব্র দাবি ও স্থানীয় কৃষকদের অনুরোধেই তিনি এবার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

​এ বিষয়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মান্নান বান্দরবান ট্রিবিউনকে জানান, ​”আমি ক্ষমতার জন্য বা নিজের আখের গোছাতে চেয়ারম্যান হতে চাই না। আমি এই মাটির সন্তান, সাধারণ মানুষ ও কৃষক হিসেবে কৃষক জুমিয়াদের ভালোবাসা নিয়েই বেঁচে আছি। রুপসিপাড়া ইউনিয়নে দুর্গম গ্রামের কৃষক জুমিয়া ও খেটে খাওয়া মানুষগুলো বছরের পর বছর অবহেলিত। তাদের গ্রামীন যোগাযোগ উন্নত, ন্যায্য অধিকার আদায়, উৎপাদিত কৃষিপণ্য হাটে-বাজারে বিক্রির ক্ষেত্রে অন্যায় দূর করা এবং ইউনিয়ন পরিষদকে সর্বসাধারণের উন্মুক্ত সেবাকেন্দ্রে পরিণত করতেই আমি নির্বাচনী মাঠে নেমেছি।”

এক প্রশ্নের উত্তরে আব্দুল মান্নান বলেন, “আমরা জন্মগতভাবে বিএনপি করে আসছি। ছোটখাটো সাংগঠনিক দায়িত্বেও ছিলাম। নির্বাচন করার ইচ্ছে আছে মানুষের সমর্থন ও মহান আল্লাহর হুকুম থাকলে ইনশাল্লাহ করবো। বিএনপিকে মনপ্রাণে ধারণ করি, ভালোবাসী। প্রার্থীতার ক্ষেত্রে দলীয়ভাবে বাঁধা আসবে বলে কোনো কারন নেই বলে আমি মনে করি।”

ইউনিয়নের সর্বস্তরের তরুণ, ব্যবসায়ী এবং কৃষক সমাজের মধ্যে মান্নান কোম্পানির প্রার্থিতা নিয়ে তৈরি হয়েছে দারুণ উৎসাহ-উদ্দীপনা।

স্থানীয়দের মতে, ধনকুবের বা প্রটোকল-সর্বস্ব নেতার চেয়ে এমন একজন মানুষ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের প্রতিটি অবহেলিত প্রান্তেরের কথা সরকারের কাছে পৌঁছাবে।

গ্রামের উচুঁনিচু ​মেঠো পথ, ফসলের মাঠ আর গ্রামীণ হাটের আড্ডায় ক্রমেই জমে উঠতেছে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রুপসিপাড়া ইউনিয়নে আবদুল মান্নানের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনী আমেজ। এখন দেখার বিষয়, মাটি ও মানুষের একেবারেই কাছে থাকা এই সদা আমোদিত মানুষটিকে ইউনিয়নবাসী কতটা সাদরে গ্রহণ করেন।

এক নজরে রুপসিপাড়া ইউনিয়ন: রুপসিপাড়া ইউনিয়নের মোট আয়তন: ৯০.৬৫ বর্গ কিলোমিটার। পরিবার সংখ্যা: ২৬৯৫, ভোটার: কমবেশি সাড়ে ৯ হাজার। নারীপুরুষ সমান প্রায় সমান সংখ্যক। উল্লেখযোগ্য গ্রাম ৭টি, ২০২২ সালের শুমারি অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা: ১৪৫১৬ জন। এরমধ্যে মুসলিম : ৮২৮৫, বৌদ্ধ: ৪৯৬৮, খ্রী: ৪৩৯, হিন্দু: ১৮, অন্যান্য ৮০৬ জন। এর মধ্যে ম্রো জনসংখ্যা ২৪৯২।