Lama ০৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
লামা উপজেলার ২৮৫ নং সাংগু মৌজায় পাহাড় দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

আদালতের নির্দেশে তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা, ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

বান্দরবানের লামা উপজেলার ২৮৫ নং সাংগু মৌজায় পাহাড় দখল, ভাঙচুর, লুটপাট, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালতের নির্দেশে তদন্তের পর অভিযোগের কয়েকটি ধারার অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।

এ ঘটনায় উঃ উচারা, অংসু ই থোয়াই, মংক্যানু মার্মাসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলাটি লামা উপজেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা নং ২২৫/২০২৫ হিসেবে দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ২৮৫ নং সাংগু মৌজার হেডম্যান চম্পাত মুরুং।

মামলার অভিযোগ:

মামলার বাদীপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, ২৮৫ নং সাংগু মৌজার পাহাড়ি ভূমি দখলকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধভাবে সেখানে প্রবেশ, পাহাড়ের জমি দখল, ভাঙচুর, মালামাল সরিয়ে নেওয়া বা চুরি, লুটপাট এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে বাদী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় গড়ায়।

তবে মামলার অভিযোগগুলো আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়েছে; এমন দাবি করার সুযোগ নেই। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার বিষয়টি নির্ধারিত হবে।

যে আইনে মামলা:

মামলায় ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ৪(১)(ক) ও ৫ এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৪৩, ৪৪৭, ৩৮০, ৩৮৫, ৫০৬(২) ও ৩৪ ধারার উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে মামলাটি ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধের পাশাপাশি সংঘবদ্ধভাবে প্রবেশ, চুরি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অন্যান্য ফৌজদারি অভিযোগকে কেন্দ্র করে হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

থানার তদন্তে নতুন মোড়:

আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য লামা থানার মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ মামলার অভিযোগের মধ্য থেকে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৩৭৯ ও ৫০৬(২) ধারার অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে বলে মামলাসংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা যায়।

উল্লেখ্য, মামলার প্রাথমিক অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারার উল্লেখ থাকলেও তদন্তপরবর্তী প্রতিবেদনে ৩৭৯ ধারার অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে; এটি মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা:

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লিখিত প্রাথমিক সত্যতার ভিত্তিতে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এর ধারাবাহিকতায় উঃ উচারা, অংসু ই থোয়াই, মংক্যানু মার্মাসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে বলে মামলাসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আদালতের এই আদেশের ফলে মামলাটি এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার, আদালতে হাজিরা এবং পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের ওপর মামলার ভবিষ্যৎ অগ্রগতি নির্ভর করবে।

পাহাড়ি ভূমি দখল নিয়ে বৃহত্তর প্রশ্ন:

২৮৫ নং সাংগু মৌজার ঘটনাটি শুধু একটি ব্যক্তিগত ভূমি বিরোধের মামলা কি না, নাকি এর পেছনে বৃহত্তর ভূমি দখল ও পাহাড় কাটার কোনো চক্র সক্রিয় রয়েছে—সেটিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় ভূমি দখল, পাহাড় কাটা, বনভূমির ক্ষতি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ভূমি-অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ রয়েছে। ফলে এ ধরনের মামলায় শুধু ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত নয়, সংশ্লিষ্ট জমির খতিয়ান, মৌজা ম্যাপ, ভূমির শ্রেণি, মালিকানা/দখল সংক্রান্ত নথি এবং ভূমি প্রশাসনের রেকর্ড যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ।

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি:

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মামলার প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভূমির সরকারি রেকর্ড, মৌজা হেডম্যানের রেকর্ড, ভূমি অফিসের নথি এবং ঘটনাস্থলের বাস্তব অবস্থা যাচাই করা দরকার।

তাদের মতে, যদি অবৈধভাবে পাহাড় দখল, পাহাড় কাটা বা ভূমি দখলের অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি পুনরুদ্ধার ও পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

আইনের শাসনের প্রশ্ন:

২৮৫ নং সাংগু মৌজার মামলাটি পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হতে পারে। কারণ, পার্বত্য এলাকায় ভূমির মালিকানা, দখল, মৌজা প্রশাসন এবং প্রচলিত রীতিনীতির সঙ্গে রাষ্ট্রীয় ভূমি আইনের সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল।

তাই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো পক্ষকে পূর্বেই অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে প্রমাণ, তদন্ত প্রতিবেদন ও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই দায় নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

এদিকে ১৩ জনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর এবং মামলার পরবর্তী শুনানি ও বিচারিক কার্যক্রমের দিকে স্থানীয়দের দৃষ্টি রয়েছে।

 

প্রতিবেদকের মন্তব্য:
এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত অভিযোগ ও তদন্তসংক্রান্ত তথ্য মামলাসংশ্লিষ্ট বর্ণনার ভিত্তিতে উপস্থাপিত। আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

লামা প্রেসক্লাবের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন-২৬ সম্পন্ন

Bandarban Tribune

লামা উপজেলার ২৮৫ নং সাংগু মৌজায় পাহাড় দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

আদালতের নির্দেশে তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা, ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

Update Time : ০৭:১১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বান্দরবানের লামা উপজেলার ২৮৫ নং সাংগু মৌজায় পাহাড় দখল, ভাঙচুর, লুটপাট, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালতের নির্দেশে তদন্তের পর অভিযোগের কয়েকটি ধারার অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।

এ ঘটনায় উঃ উচারা, অংসু ই থোয়াই, মংক্যানু মার্মাসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলাটি লামা উপজেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা নং ২২৫/২০২৫ হিসেবে দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ২৮৫ নং সাংগু মৌজার হেডম্যান চম্পাত মুরুং।

মামলার অভিযোগ:

মামলার বাদীপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, ২৮৫ নং সাংগু মৌজার পাহাড়ি ভূমি দখলকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধভাবে সেখানে প্রবেশ, পাহাড়ের জমি দখল, ভাঙচুর, মালামাল সরিয়ে নেওয়া বা চুরি, লুটপাট এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে বাদী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় গড়ায়।

তবে মামলার অভিযোগগুলো আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়েছে; এমন দাবি করার সুযোগ নেই। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার বিষয়টি নির্ধারিত হবে।

যে আইনে মামলা:

মামলায় ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ৪(১)(ক) ও ৫ এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৪৩, ৪৪৭, ৩৮০, ৩৮৫, ৫০৬(২) ও ৩৪ ধারার উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে মামলাটি ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধের পাশাপাশি সংঘবদ্ধভাবে প্রবেশ, চুরি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অন্যান্য ফৌজদারি অভিযোগকে কেন্দ্র করে হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

থানার তদন্তে নতুন মোড়:

আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য লামা থানার মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ মামলার অভিযোগের মধ্য থেকে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৩৭৯ ও ৫০৬(২) ধারার অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে বলে মামলাসংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা যায়।

উল্লেখ্য, মামলার প্রাথমিক অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারার উল্লেখ থাকলেও তদন্তপরবর্তী প্রতিবেদনে ৩৭৯ ধারার অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে; এটি মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা:

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লিখিত প্রাথমিক সত্যতার ভিত্তিতে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এর ধারাবাহিকতায় উঃ উচারা, অংসু ই থোয়াই, মংক্যানু মার্মাসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে বলে মামলাসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আদালতের এই আদেশের ফলে মামলাটি এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার, আদালতে হাজিরা এবং পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের ওপর মামলার ভবিষ্যৎ অগ্রগতি নির্ভর করবে।

পাহাড়ি ভূমি দখল নিয়ে বৃহত্তর প্রশ্ন:

২৮৫ নং সাংগু মৌজার ঘটনাটি শুধু একটি ব্যক্তিগত ভূমি বিরোধের মামলা কি না, নাকি এর পেছনে বৃহত্তর ভূমি দখল ও পাহাড় কাটার কোনো চক্র সক্রিয় রয়েছে—সেটিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় ভূমি দখল, পাহাড় কাটা, বনভূমির ক্ষতি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ভূমি-অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ রয়েছে। ফলে এ ধরনের মামলায় শুধু ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত নয়, সংশ্লিষ্ট জমির খতিয়ান, মৌজা ম্যাপ, ভূমির শ্রেণি, মালিকানা/দখল সংক্রান্ত নথি এবং ভূমি প্রশাসনের রেকর্ড যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ।

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি:

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মামলার প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভূমির সরকারি রেকর্ড, মৌজা হেডম্যানের রেকর্ড, ভূমি অফিসের নথি এবং ঘটনাস্থলের বাস্তব অবস্থা যাচাই করা দরকার।

তাদের মতে, যদি অবৈধভাবে পাহাড় দখল, পাহাড় কাটা বা ভূমি দখলের অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি পুনরুদ্ধার ও পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

আইনের শাসনের প্রশ্ন:

২৮৫ নং সাংগু মৌজার মামলাটি পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হতে পারে। কারণ, পার্বত্য এলাকায় ভূমির মালিকানা, দখল, মৌজা প্রশাসন এবং প্রচলিত রীতিনীতির সঙ্গে রাষ্ট্রীয় ভূমি আইনের সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল।

তাই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো পক্ষকে পূর্বেই অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে প্রমাণ, তদন্ত প্রতিবেদন ও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই দায় নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

এদিকে ১৩ জনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর এবং মামলার পরবর্তী শুনানি ও বিচারিক কার্যক্রমের দিকে স্থানীয়দের দৃষ্টি রয়েছে।

 

প্রতিবেদকের মন্তব্য:
এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত অভিযোগ ও তদন্তসংক্রান্ত তথ্য মামলাসংশ্লিষ্ট বর্ণনার ভিত্তিতে উপস্থাপিত। আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।