
‘মাতামুহুরী রিজার্ভে নতুন করে ৮০ হেক্টর বনায়ন প্রকল্পে অনিয়ম দুর্ণীতির মাধ্যমে আবারো লোপাটের অভিযোগ’
সরকার বনজ সম্পদ সমৃদ্ধ করণে, বিশাল বরাদ্দ দিয়ে থাকেন। মাতামুহুরি রিজার্ভে নতুন চারা লাগানো, জঙ্গল পরিষ্কার ইত্যাদি কাজে বন বিভাগে বড় একটি বাজেট দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে মাতামুহুরি রিজার্ভের কুরুকপাতার ঝিরি নামক স্থানে ৮০ হেক্টর বা জায়গায় নতুন চারা রোপন করা হচ্ছে। এই চারা রোপনে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্ণীতি দেখা যাচ্ছে। সরকারের মুল বরাদ্দের অর্ধেকও ব্যায় করেন না। বিশাল অংকের অর্থ এই খাত থেকে আত্মসাত করা হয়।
বিগত সময়ে আলীকদম উপজেলার ২৮৯নং চৈক্ষ্যং মৌজার সোনাইছড়ি এলাকায় পাঁচ হাজার একরের রিজার্ভ বনায়ন রয়েছে। সেখানে কয়েক একর জায়গায় জঙ্গল পরিষ্কার ও নতুন বনায়নের নামে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ডিএফও এবং তার উপর মহল। বর্তমান ডিএফও’র আওতায় যতগুলো নতুন বনায়ন ও জঙ্গল পরিষ্কারের কাজ করা হয়েছে সব গুলোতে এমন অনিয়ম ও দূর্ণীতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ডিএফও মোস্তাফিজুর রহমান দিনের চেয়েও রাতের বেলা অফিস করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কেননা রাতের বেলা ঘুষের টাকা লেনদেনে দেখার মত কেউ থাকে না। তাছাড়াও রাতের বেলা তিনি আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন, আড্ডা দেন, রাজনৈতিক আলোচনা করেন। অফিসে তিনি কাজের থেকেও রাজনৈতিক আলোচনায় বেশি মগ্ন থাকেন।
কোনো ব্যক্তি ডিএফও’র এই সকল দুর্নীতির বিষয়ে প্রতিবাদ করে তার মুখ কিভাবে বন্ধ করা যায়, তাকে কিভাবে শায়েস্তা করা যায়, কিভাবে মিথ্যা বন মামলায় ফাঁসানো যায়, কিভাবে হুমকি দেওয়া যায় কিংবা কিভাবে মারধর করা যায়, অফিসে বসেই তার পরিকল্পনা করেন।
তৎকালীন ২০২৪ সালে এই সকল অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ বানিজ্যের প্রতিবাদ করায় ডিএফও’র সিন্ডিকেট লোকজন দিয়ে অভিযোগকারির উপর হামলা ও তার ছেলের উপরও হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। এ ভাবে প্রতিনিয়ত তাদের দূর্ণীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মুখগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
বিগত ২৪’র ৫ই আগষ্ট’র আগে যে আওয়ামী চক্র ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ডিএফওর সাথে যোগসাজসে গাছ পাচার করে করেছিলো; এই গাছ পাচারের বিরুদ্ধে যে ব্যক্তি প্রতিবাদ জানাত তাকে খুন গুম করার চেষ্টা করা হতো।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়; একই ভাবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ৫ই আগষ্ট এর পরও রূপ পরিবর্তন করে ওই চক্রটি এখনও অবৈধ ভাবে গাছ পাচার করে আসছে।
ধারাবহিক এই রিপোর্টের সত্র: (বন ও পরিবেশ মন্ত্রী বরাবর প্রেরিত অভিযোগ) যাচাই সম্ভব হয়নি।
চলবে…
বান্দরবান ট্রিবিউন ডেস্ক: 



















