
আদিকাল থেকে খাগড়াছড়ি , রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার অধীন ছিল তখন থেকেই ( লামা থানা , লামা মহকুমা পরে উপজেলা ) সর্বজনে , সর্বস্তরে একটা বিশেষ পরিচিতি , একটা বিশেষ মর্যাদা ও সর্বক্ষেত্রে একটা বিশেষ স্থান ও গুরুত্ব পেয়ে আসছিল। যেখানে বাংলাদেশের সকল মহকুমা জেলার মর্যাদা পেয়েছে সেখানে লামা বঞ্চিত হয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলার অধীন উপজেলায় রয়ে গিয়েছে।

এতে লামা বাসী বঞ্চনার শিকার হলেও চলছিল দূর দশা আর অপরিসীম কষ্ট নিয়ে। প্রায় প্রতিটি কাজে সরকারি হউক আর বানিজ্যিক বা অন্য কাজে হউক দৈর্ঘ্য পথ অতিক্রম করে কষ্টার্জিত টাকা খরচ করে বান্দরবান সদরে যেতে হয়। তারপরও লামা বাসী ভাগ্যের নির্মম পরিহাস হিসেবে মেনে নিয়েছিল।
তিন পার্বত্য জেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসনিক ও উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ও বর্তমান জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার ও একইভাবে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করেছেন জেলার বৃহৎতম জনসংখ্যা অধ্যুষিত আয়তনেও সবচেয়ে বড় লামা উপজেলা কে বাদ দিয়ে। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদে লামা উপজেলা থেকে কোন সদস্য স্থান পায়নি , নেয়া হয়নি।
স্বাভাবিক ভাবেই লামা উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ বঞ্চনার ক্ষোভ প্রকাশ করে শান্তিপূর্ণভাবে ও গণতান্ত্রিক উপায়ে এবং নিয়মতান্ত্রিক ভাবে প্রতিবাদ সমাবেশ ও প্রতিকার দাবি জানাচ্ছেন ।
এই বৈষম্য ও বঞ্চনা যেহেতু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে হয়েছে তাই এই দায়ভার সম্পূর্ণ ব্যর্থ ও আপোসকামী রাজনৈতিক নেতৃত্বের । এই বৈষম্য ও বঞ্চনার কারণে স্বাভাবিক ভাবেই উপজেলার সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ এখন লামা উপজেলা কে জেলা করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছে । দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেছে। সাথে স্থানীয় সংবাদ কর্মীবৃন্দ এবং মাধ্যমগুলো প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে ।
পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করার আগেই বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে এর একটি ন্যায় সঙ্গত সর্বজন গ্রহণযোগ্য সঠিক সমাধান কামনা করছি ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মুছা
উপজেলা :- লামা , জেলা : – বান্দরবান
বান্দরবান ট্রিবিউন ডেস্ক: 




















