
আ’দিবাসী হওয়ার পাগলা ভূত যাদের কাঁধে চেপেছে, তাদের পূর্বপুরুষরা স্পষ্ট বলে গেছেন; তারা মূলত বার্মার।
ছবির মানুষটি প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি আদিবাসী প্রসঙ্গে একথা স্পষ্ট বলেছেন।
কেউ কি তাদেরকে বাংলাদেশ থেকে বের করে দিচ্ছে? উত্তর হল না! তাহলে তারা এমন করছে কেনো?
অবাক হওয়া ছাড়া পথ নেই। বাংলাদেশ সরকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে বিভিন্ন কোঠায় স্থান দিয়ে থাকে। এমনকি সংসদেও তাদের জন্য কিছু আসন রাখা হয়।
অথচ তারা হঠাৎ অদ্ভুত আচরণ শুরু করেছে!

তারা কেনো আদিবাসী হতে চায়?
বাংলাদেশের পাহাড়গুলোতে আলদা একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছে পাহাড়ে বসবাসরত উপজাতিগুলো। তার সম্ভাব্য নাম ‘জুম্মল্যান্ড’! এমনকি তাদের পতাকাও আছে। তারা সেখানে দিনদিন শক্তিশালী হয়ে উঠছে।
প্রশাসন ট্যাগেল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। আপনি জানেন? প্রায়ই সেনাবাহিনীর সদস্যরা সেখানে প্রা’ণ হারাচ্ছেন। মায়ানমারের আরাকান আ’র্মির সাথে তাদের যোগসাজশ ভয়ংকর পর্যায়ে। সবমিলিয়ে পাহাড়ে তাদের স্বপ্নকায়েমে বড় বাঁধা প্রশাসন।
এজন্য তারা চায়; পাহাড় থেকে সকল প্রকার বাহিনী হঠানো হোক। তারা উন্মুক্ত জীবন চায়! নিজেদেরকে আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি নিতে পারলে সেই চাওয়া পূর্ণ হবে।
আন্তর্জাতিক আইনে আদিবাসীদের এখানে সেনা ছাউনি কিংবা প্রশাসনিক উপস্থিতি নট-এলাও। মূলত এজন্যই পাহাড়ে বসবাসরত উপজাতিরা আদিবাসী হতে সর্বোচ্চ চেঁচা’মেচি শুরু করেছে।

ভেতর থেকে তাদেরকে আবার শেল্টার দিচ্ছে; না’স্তিক (সেক্যুলার) দাবি করা দেশপ্রেমিকরা! এরা কি আসলেই দেশপ্রেমিক?
সেনাবাহিনী নাকি পাহাড়ে বসবাসরত উপজাতিদের উপর নৃ’শংসতা চালায়! আপনি ভাবতে পারছেন এটা দেশের উপর কতবড় অপবাদ?
সারাদেশে সেনাবাহিনী ঠিক থাকে, কেবল পাহাড়ে পোস্টিং হলেই সেনাবাহিনী নৃ’শংস হয়ে যায়!
দেশের মানচিত্র ঠেকাতে হলে; আদিবাসী সুর বন্ধ করতে হবে। আমরা সবাই বাংলাদেশী। আদিবাসী দাবি করে আমাদের বুকে ছু’রি মারতে দিব না!
[সূত্র: Mustafizur Rahaman এর Time line]
Reporter Name 




















