Lama ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

বাঘাইছড়ি কাচালং নদী খনন ও বাঁধের কাজ শুরু হবে খুব শিঘ্রই

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন ভূমি ও পার্বত্য পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ।

‎বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে  ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

‎পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত নারী, শিশু ও প্রবীণদের দুর্ভোগের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের জন্য দ্রুত ও ধারাবাহিকভাবে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান, ২৭ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুপ্তশ্রী সাহা এবং বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দীন মজুমদার।

বিজ্ঞাপন

‎এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি দীপেন তালুকদার দীপু, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মামুনুর রশীদ মামুন,পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী নিজাম উদ্দিন বাবু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওমর আলী, সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আলম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রহমত উল্লাহ খাজাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

‎পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, “দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। কেউ যেন খাদ্য, চিকিৎসা কিংবা আশ্রয়ের অভাবে কষ্ট না পান, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।”

বিজ্ঞাপন

‎‎তিনি আরও বলেন, “বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, বাঁধ ও অন্যান্য অবকাঠামো সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খুব শঘ্রুই কাচালং নদী খনন ও বাঁধের কাজ শুরু করা হবে, পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই—সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ান।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

খাগড়াছড়িতে ৭৭৮ শিক্ষার্থী পেয়েছেন ৯২ লাখ টাকার বৃত্তি

Bandarban Tribune

বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

বাঘাইছড়ি কাচালং নদী খনন ও বাঁধের কাজ শুরু হবে খুব শিঘ্রই

Update Time : ০৮:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন ভূমি ও পার্বত্য পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ।

‎বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে  ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

‎পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত নারী, শিশু ও প্রবীণদের দুর্ভোগের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের জন্য দ্রুত ও ধারাবাহিকভাবে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান, ২৭ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুপ্তশ্রী সাহা এবং বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দীন মজুমদার।

বিজ্ঞাপন

‎এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি দীপেন তালুকদার দীপু, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মামুনুর রশীদ মামুন,পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী নিজাম উদ্দিন বাবু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওমর আলী, সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আলম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রহমত উল্লাহ খাজাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

‎পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, “দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। কেউ যেন খাদ্য, চিকিৎসা কিংবা আশ্রয়ের অভাবে কষ্ট না পান, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।”

বিজ্ঞাপন

‎‎তিনি আরও বলেন, “বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, বাঁধ ও অন্যান্য অবকাঠামো সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খুব শঘ্রুই কাচালং নদী খনন ও বাঁধের কাজ শুরু করা হবে, পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই—সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ান।”