
বান্দরবান জেলাপরিষদ কর্তৃক এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য লামা পৌরসভায় ১৫ শ পরিবার ও ৭ ইউনিয়নের জন্য ১৫ শ্ পরিবার মোট ৩ হাজার পরিবারের জন্য ২৫ কেজি করে প্রায় ৭৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেন।

এদিকে বাস্তবে জরিপে উপজেলা ও পৌরসভা মিলিয়ে কম বেশ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা আরো বেশী বলে ধারণা করছেন অনেকে।
এর মধ্যে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তিন হাজার পরিবারের জন্য ২৫ কেজি করে ত্রাণের চাল দেয়া হয়।

বিগত দিনে এরকম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারেরা ৫/১০ কেজির বেশী চাল পায়নি বলে জানান ত্রান গ্রহীতারা।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বান্দরবান জেলা পরিষদের বরাদ্দ থেকে ১৪ ও ১৫ জুলাই রুপসিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ- ২৫০ পরিবার ত্রানের চাল বিতরণ করা হয়।

এর মধ্যে লামা সদরে ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রে ১৪৫ ও বলিয়ারচর ১০৫ পরিবারকে ২৫ কেজি করে চাল পেয়েছেন।
গজালিয়া ইউনিয়নের দুর্গত এলাকা ছোটবমু পরিবার ৯০ পরিবার ও গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সদরে ৬০ পরিবার মোট ১৫০ পরিবার চাল পেয়েছেন।

লামা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫২ পরিবার, ৮ নং ওয়ার্ড ১২৫, ৪ নং ওয়ার্ড ১৫৬ পরিবার।
পৌরসভা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন বিতরন পয়েন্টে বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য খোরশেদা ইসহাক ও পরিষদ সদস্য গনসংহতি জেলা সমন্বয়ক এডভোকেট উবাথোয়াই মার্মা, বিএনপি নেতা আমির হোসেন, জাকির হোসেন, মানবাধিকার কর্মি এম রুহুল আমিন, পিসিএনপি নেতা মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সার্বক্ষনিক মনিটরিং করেন। 
এসময় বিএনপি ও অংগ সংগঠন, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, গনসংহতি, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের নেতা কর্মি ও জাগ্রত যুব সমাজের স্বেচ্ছাসেবীরা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন ও বিতরণ কাজে সহায়তা করেন।
বিজ্ঞাপন

এবার জেলা পরিষদ ছাড়াও জেলা প্রশাসন, লামা পৌরসভা ত্রাণ সহায়তায় অংশ নেন। বেসরকারিভাবে ব্যাক্তি উদ্যােগে লামা বিএনপি নেতা আইয়ুব আলী কোম্পানী সর্বোচ্চ সহায়তা করেন। সহায়তা করেন বিএনপি নেতা থোয়াইনু অং চৌধুরী, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা আবু আফসান ইয়াহিয়া, লামা জনতা ব্যাংক ও বিএটিবি।

এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোঃ মঈন উদ্দিন বলেন, “বান্দরবান জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসন, লামা পৌরসভা ও বিভিন্ন ব্যাক্তি ও সংস্থা কর্তৃক সহযোগিতা অব্যাহত আছে।

দুর্যোগকালীন সময়ে দু’একজনের ব্যাক্তিগত সহায়তা ছাড়া বাকিদের বিতরণ তালিকা সমন্বয় করে ত্রাণ বিতরণ হচ্ছে; যেন সর্বোচ্চ পরিমান মানুষ ত্রান পায়।” লামা উপজেলা প্রশাসক আরো জানান, আপাততঃ ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ সম্পন্ন হবে।
বিজ্ঞাপন

খোঁজ নিয়ে জানাযায়, উপজেলা ও পৌরসভায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের জরিপ কাজে এনজিও সংস্থা তাজিংডন, গ্রাউস, ব্র্যাকসহ আরো কয়েকটি সংগঠন বন্যায় ও পাহাড় ধ্বসে বাড়িঘর চাপা, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, জুম চাষী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, প্রান্তিক পর্যায়ের জনগোষ্ঠীর জন্য কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছেন। মাঠ পর্যায়ে সহসায় বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের টেকসই উন্নয়নমূলক সহায়তা, পুনর্বাসনে এসব এনজিও সংস্থা কাজ শুরু করবেন।
বান্দরবান ট্রিবিউন ডেস্ক: 




















