
ট্রিভিউন ডেস্ক:
পার্বত্য লামায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল দশটায় র্যালি শেষে উপজেলা প্রশাসন হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন নির্বাহী অফিসার মোঃ মঈন উদ্দিন।
“আকর্ষণের মুখোশ উন্মোচন, নিকোটিন ও তামাকের আসক্তি মোকাবেলা” এই প্রতিপাদ্যে লামা উপজেলায় পালিত হয়েছে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস।
তামাক সেবনের সমস্ত প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করার জন্য দিবসটির প্রচলন করা হয়।
স্বাস্থ্য সংস্থা ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সংগঠন তামাকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে নানা কর্মসূচির আয়োজন করে থাকে প্রতি বছর।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সি অন্তত ৩ কোটি ৭০ লাখ কিশোর–কিশোরী নিয়মিতভাবে তামাক ব্যবহার করে এবং যাদের নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডে আসক্ত করতে কোম্পানিগুলো নানা ধরনের কূটকৌশলের আশ্রয় নেয়। এর মধ্যে সুগন্ধিযুক্ত তামাকপণ্য বাজারজাতকরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশের তামাকপণ্য সহজলভ্য করা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেলিব্রেটিদের ব্যবহার করা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান এবং শক্তিশালী আইন ও কর পদক্ষেপের বিরোধিতা করা উল্লেখযোগ্য।

বক্তারা বলেন, লামা উপজেলার কৃষি জমিসহ সর্বত্রয় তামাক চাষ হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের নমনীয় নীতি দায়। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩ দশমিক ৭৮ কোটি মানুষ তামাক ব্যবহার করে এবং তামাকজনিত রোগে বছরে প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা তামাক খাত থেকে আহরিত রাজস্ব আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি। লামা উপজেলায় হাজার একর জমিতে তামাক চাষ হচ্ছে। সমালোচকদের মতে তামাকের বিশাক্ত বাতাশে শ্বাস নিয়েই তামাক মুক্ত করার বিস্ময়কর আয়োজন(!)। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী ও গন্যমান্য ব্যাক্তিদ্বয় উপস্থিত ছিলেন।
Reporter Name 




















