Lama ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লামায় বন্যা-পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনের আওতায় ৩ শতাধিক পরিবার সবজির বীজ পেয়েছেন 

বন্যা-পরবর্তী সময়ে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কৃষিকাজ পুনরুদ্ধার ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বান্দরবানের লামা উপজেলায় তিন শতাধিক পরিবারের মাঝে বিভিন্ন ধরনের সবজির বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

সেতু এনজিওর অর্থায়নে, রিনিউ আর্থের উদ্যোগে এবং সিক্ত বাংলাদেশ, জাগ্রত যুব সংঘ, জাগ্রত নাগরিক ফাউন্ডেশন ও সিটিজেন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া, হাম্বুকপাড়া, লেমুরঝিরি, লায়লাপাড়া, মংপ্রু পাড়া, পুলিশ ক্যাম্প এলাকা ও টিয়াঝিরি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে সবজির বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

এটি একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু করা হয়েছে। পরবর্তীতে অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নির্বাচিত এলাকাগুলোতে কৃষকদের সহায়তায় এ ধরনের উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।

বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে পাহাড়ি কৃষক পরিবারগুলোকে নিজেদের কৃষি উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

বলীপাড়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা

Bandarban Tribune

লামায় বন্যা-পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনের আওতায় ৩ শতাধিক পরিবার সবজির বীজ পেয়েছেন 

Update Time : ০৭:১৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

বন্যা-পরবর্তী সময়ে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কৃষিকাজ পুনরুদ্ধার ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বান্দরবানের লামা উপজেলায় তিন শতাধিক পরিবারের মাঝে বিভিন্ন ধরনের সবজির বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

সেতু এনজিওর অর্থায়নে, রিনিউ আর্থের উদ্যোগে এবং সিক্ত বাংলাদেশ, জাগ্রত যুব সংঘ, জাগ্রত নাগরিক ফাউন্ডেশন ও সিটিজেন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া, হাম্বুকপাড়া, লেমুরঝিরি, লায়লাপাড়া, মংপ্রু পাড়া, পুলিশ ক্যাম্প এলাকা ও টিয়াঝিরি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে সবজির বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

এটি একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু করা হয়েছে। পরবর্তীতে অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নির্বাচিত এলাকাগুলোতে কৃষকদের সহায়তায় এ ধরনের উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।

বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে পাহাড়ি কৃষক পরিবারগুলোকে নিজেদের কৃষি উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।