
লামা উপজেলা ফাইতং ইউনিয়নে পুরো বর্ষা মৌসুমে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটার অভিযোগ রয়েছে। শনিবার মোবাইল কোর্ট করে লামা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈন উদ্দিন ৫ ব্রিকফিল্ডে সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেন।

বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্লিপ্ততায় ব্রিকফিল্ড এলাকার আশে পাশে বহু পাহাড় কেটেছে ইটখোলা মালিকরা। উপজেলার ফাইতংসহ বান্দরবান জেলার বিভিন্ন স্থানে মাটি সংগ্রহের জন্য প্রকাশ্যে মেশিন দিয়ে পাহাড়ের মাটি কাটা হচ্ছে। এর ফলে ইটভাটা এলাকাগুলোতে পাহাড় ধসের ঝুঁকি বেড়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড় কাটা নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর চুপ থাকায় সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পত্রপত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখির পরে বানাদরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের করিৎকর্মাদের টনক না নড়লেও উপজেলা প্রশাসন ঠিকই নড়েচড়ে বসেছেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) লামা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও মোঃ মঈন উদ্দিন এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করে ৫ টি ইটভাটার মালিকের মোট সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন। ভাটাগুলো হচ্ছে; ডিবিএম, এমএমবি, এমবিআই, এবিসি-৪ ও ইউএমবি।

প্রশাসন সুত্রে জানাযায়, সামনের শুষ্ক মৌসুমে ইট প্রস্তুতের লক্ষে পাহাড় কাটা ও মাটি কাটার দায়ে ডিবিএম ও ইউএমবিকে ১ লক্ষ টাকা করে মোট দুই লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। এমএমবি, এমবিআই ও এবিসি৪ কে ৫০ হাজার টাকা করে মোট দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈন উদ্দিন, পাহাড় ও মাটি কাটার দায়ে ৫ ইটভাটাকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করে, অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, বান্দরবান জেলার লামা, আলীকদম ও নাইক্ষংছড়ি উপজেলায় পরিবেশ আইনের তোয়াক্কা না করে চলতি বর্ষায় বড় বড় পাহাড় কাটার মহোৎসব চলছে। বিভিন্ন এলাকায় এক্সকাভেটর দিয়ে পাহাড় কেটে সংগৃহীত এসব মাটি সরবরাহ করা হচ্ছে স্থানীয় ইটভাটা সমুহে।
বিজ্ঞাপন

এতে পাহাড় প্রকৃতি বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অতিবৃষ্টিতে ভয়াবহ ভূমিধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর জন্য বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের চরম নির্লিপ্ততা ও স্বার্থান্ধতাকে দায়ি করছেন সমচেতন সমাজ। বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের কারো বক্তব্য নেয়া যায়নি।
মোঃ ইউছুপ আলী শাহরাজ 




















