
বিতর্কিত গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক ও ডিবিসি টেলিভিশনের রাঙামাটি প্রতিনিধি সৈকত রঞ্জন চৌধুরীকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সায়র চন্দ্রা চাকমার দায়ের করা একটি আইসিটি মামলা তাকে আটক দেখানো হয়েেছ। রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আড়াইটার দিকে রাঙামাটি জেলা পরিষদের ফটকের সামনে থেকে সাদা পেশাকে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সৈকতকে আটক করেন। তবে আটকের ঘটনাকে একটি মহল সাদা পোশাকধারী কয়েকজন ব্যক্তি তুলে নিয়ে গিয়েছে’ বলে ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছ। এতে দেখা যায় দুপুর ২.৩৪ মিনিটে রাঙামাটি জেলা পরিষদের সামনে থেকে সাদা পোশাকধারী কয়েকজন ব্যক্তি সৈকত রঞ্জন চৌধুরীর সাথে কথা বলছেন। পরে সৈকত রঞ্জন স্বেচ্ছায় রাস্তার পাশে দাড়ানো সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাসে গিয়ে উঠে পড়েন। সাথে ডিবি পুলিশ সদস্যরা মাইক্রোবাসে উঠে দরজা বন্ধ করে চট্টগ্রামের দিকে রওনা হয়।
রাঙামাটি জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও বিতর্কিত গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক সৈকত রঞ্জন চৌধুরীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার ও সরকার দলের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য, ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক প্রচারণার অভিযোগ তোলেন স্থানীয়রা।
রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব জানিয়েছেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর ডিবি শাখা সৈকত রঞ্জন চৌধুরীকে নিয়ে গেছে।
কোতয়ালী থানার ওসি জসীম উদ্দীন বলেন- ছাত্রদল নেত্রী সায়রা চন্দ্রা চাকমার দায়ের করা আইসিটি মামলায় সৈকত রঞ্জন চৌধুরীকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে। ওই মামলায় রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমনকেও আটক করেছে। আটক দুজনের মুক্তির দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন সাবেক পার্বত্য মন্ত্রীর এপিএস আল আমিন সহ ছাত্রদল ও বিএনপির একাংশের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে তার পরিবারের পক্ষ জানিয়েছেন, সৈকত রঞ্জন ষড়যন্ত্রের শিকার। হয়রানি করার উদ্দেশ্যে তাকে আটক করা হয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা: 




















