Lama ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পানছড়িতে সীমান্ত অপরাধ ও পাহাড়ি সন্ত্রাস দমনে কেষ্টমনিপাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:০৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ৪৬ Time View

সংবাদদাতা:-

খাগড়াছড়ির সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং দুর্গম পাহাড়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন ‘অস্থায়ী অপারেশন বেস’ (টিওবি) স্থাপন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর অধীনে সীমান্তবর্তী কেষ্টমনিপাড়া এলাকায় এই ক্যাম্পটি স্থাপন করা হচ্ছে।

আজ শনিবার (১৩ জুন) পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘পানছড়ি ব্যাটালিয়ন দীর্ঘ ২১.৮ কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সীমান্ত প্রহরা, অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) ও চোরাচালান প্রতিরোধ, এবং অবৈধ অস্ত্র পাচাররোধসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সর্বদা দায়িত্ব পালন করে আসছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং ব্যাটালিয়নের আভিযানিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও সহজ করার লক্ষ্যেই এই কেষ্টমনিপাড়া টিওবি (TOB) স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

বিজিবি জানায়, নতুন এই অস্থায়ী ক্যাম্পটি সীমান্তবর্তী মাদকদ্রব্য, অবৈধ অস্ত্র-গোলাবারুদ পাচার রোধ এবং পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন আঞ্চলিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক যেকোনো অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধেও এই ক্যাম্পের জোয়ানরা তৎপর থাকবে।

এছাড়াও, দেশের মূল্যবান বনজ সম্পদ রক্ষায় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে কাঠ, বাঁশ ও অন্যান্য সম্পদ পাচার প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর  অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মাদ রবিউল ইসলাম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন,”সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ পাচার ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ইতিমধ্যেই গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি’র এই ধরনের কঠোর ও ধারাবাহিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

আলীকদমে বীর মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রীর সম্মানী ভাতা নিয়ে দুই সন্তানের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

Bandarban Tribune

পানছড়িতে সীমান্ত অপরাধ ও পাহাড়ি সন্ত্রাস দমনে কেষ্টমনিপাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন

Update Time : ০৮:০৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সংবাদদাতা:-

খাগড়াছড়ির সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং দুর্গম পাহাড়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন ‘অস্থায়ী অপারেশন বেস’ (টিওবি) স্থাপন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর অধীনে সীমান্তবর্তী কেষ্টমনিপাড়া এলাকায় এই ক্যাম্পটি স্থাপন করা হচ্ছে।

আজ শনিবার (১৩ জুন) পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘পানছড়ি ব্যাটালিয়ন দীর্ঘ ২১.৮ কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সীমান্ত প্রহরা, অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) ও চোরাচালান প্রতিরোধ, এবং অবৈধ অস্ত্র পাচাররোধসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সর্বদা দায়িত্ব পালন করে আসছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং ব্যাটালিয়নের আভিযানিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও সহজ করার লক্ষ্যেই এই কেষ্টমনিপাড়া টিওবি (TOB) স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

বিজিবি জানায়, নতুন এই অস্থায়ী ক্যাম্পটি সীমান্তবর্তী মাদকদ্রব্য, অবৈধ অস্ত্র-গোলাবারুদ পাচার রোধ এবং পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন আঞ্চলিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক যেকোনো অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধেও এই ক্যাম্পের জোয়ানরা তৎপর থাকবে।

এছাড়াও, দেশের মূল্যবান বনজ সম্পদ রক্ষায় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে কাঠ, বাঁশ ও অন্যান্য সম্পদ পাচার প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর  অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মাদ রবিউল ইসলাম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন,”সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ পাচার ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ইতিমধ্যেই গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি’র এই ধরনের কঠোর ও ধারাবাহিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”