Lama ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লামায় শ্রী শ্রী দশমহাবিদ্যা কালি মন্দিরের সেবক কর্তৃক ১৩ জনের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগের পুলিশি তদন্তে সারবত্তা মিলেনি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ২৪২ Time View

ট্রিভিউন ডেস্ক:

লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন গুলিস্তান বাজারস্থ শ্রী শ্রী দশমহাবিদ্যা কালি মন্দির সেবাশ্রমের সেবক বাসু চন্দ্র নাথ এর করা “মিথ্যা হয়রানির অভিযোগ”র তদন্তে কোনো বাস্তবতা পায়নি পুলিশ।

বাসু চন্দ্র নাথ সম্প্রতি কক্সবাজারের ঈদগাঁও ও লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের এক জনপ্রতিনিধিসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে তাকে ‘মিথ্যা হয়রানি, ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে পরিত্রাণে’র জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন। এই প্রেক্ষিতে বান্দরবান পুলিশ সুপারের নির্দেশে আবেদন তদন্তের জন্য লামা সার্কেল এএসপি সোমবার ৯ জুন বিষয়টি শুনানিয়ান্তে তদন্ত করেন বলে জানাযায়। তদন্তকালে অভিযোগ বা আবেদনে বাসু চন্দ্র নাথের আবেগ প্রকাশ পেয়েছে বলে সূত্রে জানাগেছে।

ইমদাদুল ইসলাম জিহাদী নামের ঈদগাঁ উপজেলার এক নাগরিক জানান, “বাসু চন্দ্র নাথের আমি ২১ লাখ টাকা পাবো। ওই টাকা পরিশোধ না করার উদ্দেশ্যে বাসু চন্দ্র নাথ তালবাহানা করায় তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারের একটি আদালতে মামলা দায়ের করি। বর্তমানে বিচারাধীন ওই মামলার সকল স্বাক্ষীসহ আমি বাদী ইমদাদুল ইসলাম জিহাদীর নামে মিথ্যা মনগড়া অভিযোগ দিয়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করাসহ টাকা পরিশোধ না করার পায়তারা করছে বাসু চন্দ্র নাথ।”

বাসু চন্দ্র নাথ কর্তৃক অভিযুক্তরা হলেন যথাক্রমে; “১। ইমদাদুল ইসলাম জিহাদী, পিতা- মৃত মোহাম্মদ ইসহাক, সাং- নতুন অফিস, মধ্যম নাপিতখালী, ওয়ার্ড নং- ৪, ইসলামপুর ইউপি, থানা- ঈদগাঁও, জেলা- কক্সবাজার, ২। জাহেদুল ইসলাম শিবলী, পিতা-মৃত নুরুল ইসলাম, সাং- খুটাখালী নয়া পাড়া, ওয়ার্ড নং- ৯, চকরিয়া, কক্সবাজার, ৩। মোঃ ওমর ফারুক, পিতা- মৃত জালাল উদ্দিন, সাং- পূর্বপরানপাড়া, ওয়ার্ড নং- ৯, চকরিয়া, কক্সবাজার, ৪। মহি উদ্দিন, পিতা- মৃত শের আলী সও, সাং- মধ্যম নাপিতখালী, ইসলামপুর, ঈদগাঁও, কক্সবাজার, ৫। মোঃ হেলাল উদ্দিন, পিতা- নুরুচ্ছফা, সাং-হায়দারনাশী, গুলিস্থান বাজার, ০৩ নং ফাসিয়াখালী, লামা, বান্দারবান, ৬। আজিজুল হক, পিতা- মৃত আবদু শুকুর, সাং- লাইল্লারমার পাড়া, ১নং ওয়ার্ড, ৩নং ফাঁসিয়াখালী, লামা বান্দরবান, ৭। লিটন দে, পিতা- মৃত রনজিত চন্দ্র দে, সাং- গুলিস্থান বাজার, হায়দারনাশী, হিন্দুপাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, ৩নং ফাঁসিয়াখালী, লামা বান্দরবান, ৮। শফিউল আলম, পিতা- আলী আহাম্মদ, ৯। ছায়া রানি দে, পিতা- মতি লাল দে, ১০। সন্দিপ, পিতা- অজ্ঞাত, ১২। সুমন দাস, পিতা-অজ্ঞাত, ১৩। হৃদয় নাথ, পিতা- রেবতী নাথ, সর্বসাং- গুলিস্থান বাজার, হায়দারনাশী, হিন্দুপাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, ৩নং ফাঁসিয়াখালী, লামা বান্দরবান সহ অজ্ঞাত ৫/৬ জন”।

এই বিষয়ে লামা সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাসুম সরদার এঁর সাথে মুঠোফোনে আলাপ করে জানতে চায়লে, তিঁনি জানান, “বাসু চন্দ্র নাথ অনুমান বা আশঙ্কার জায়গা থেকে অভিযোগের আনায়ন করেছেন। এই ধরণের অভিযোগে পুলিশ তদন্ত করে দুই পক্ষকে সতর্ক করা ছাড়া আর কিছু করার থাকেনা। সুতরাং উভয়কে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পরস্পর সম্ভাব্য বিরোধ এড়িয়ে চলার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

আলীকদমে বীর মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রীর সম্মানী ভাতা নিয়ে দুই সন্তানের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

Bandarban Tribune

লামায় শ্রী শ্রী দশমহাবিদ্যা কালি মন্দিরের সেবক কর্তৃক ১৩ জনের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগের পুলিশি তদন্তে সারবত্তা মিলেনি

Update Time : ১১:০৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

ট্রিভিউন ডেস্ক:

লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন গুলিস্তান বাজারস্থ শ্রী শ্রী দশমহাবিদ্যা কালি মন্দির সেবাশ্রমের সেবক বাসু চন্দ্র নাথ এর করা “মিথ্যা হয়রানির অভিযোগ”র তদন্তে কোনো বাস্তবতা পায়নি পুলিশ।

বাসু চন্দ্র নাথ সম্প্রতি কক্সবাজারের ঈদগাঁও ও লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের এক জনপ্রতিনিধিসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে তাকে ‘মিথ্যা হয়রানি, ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে পরিত্রাণে’র জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন। এই প্রেক্ষিতে বান্দরবান পুলিশ সুপারের নির্দেশে আবেদন তদন্তের জন্য লামা সার্কেল এএসপি সোমবার ৯ জুন বিষয়টি শুনানিয়ান্তে তদন্ত করেন বলে জানাযায়। তদন্তকালে অভিযোগ বা আবেদনে বাসু চন্দ্র নাথের আবেগ প্রকাশ পেয়েছে বলে সূত্রে জানাগেছে।

ইমদাদুল ইসলাম জিহাদী নামের ঈদগাঁ উপজেলার এক নাগরিক জানান, “বাসু চন্দ্র নাথের আমি ২১ লাখ টাকা পাবো। ওই টাকা পরিশোধ না করার উদ্দেশ্যে বাসু চন্দ্র নাথ তালবাহানা করায় তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারের একটি আদালতে মামলা দায়ের করি। বর্তমানে বিচারাধীন ওই মামলার সকল স্বাক্ষীসহ আমি বাদী ইমদাদুল ইসলাম জিহাদীর নামে মিথ্যা মনগড়া অভিযোগ দিয়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করাসহ টাকা পরিশোধ না করার পায়তারা করছে বাসু চন্দ্র নাথ।”

বাসু চন্দ্র নাথ কর্তৃক অভিযুক্তরা হলেন যথাক্রমে; “১। ইমদাদুল ইসলাম জিহাদী, পিতা- মৃত মোহাম্মদ ইসহাক, সাং- নতুন অফিস, মধ্যম নাপিতখালী, ওয়ার্ড নং- ৪, ইসলামপুর ইউপি, থানা- ঈদগাঁও, জেলা- কক্সবাজার, ২। জাহেদুল ইসলাম শিবলী, পিতা-মৃত নুরুল ইসলাম, সাং- খুটাখালী নয়া পাড়া, ওয়ার্ড নং- ৯, চকরিয়া, কক্সবাজার, ৩। মোঃ ওমর ফারুক, পিতা- মৃত জালাল উদ্দিন, সাং- পূর্বপরানপাড়া, ওয়ার্ড নং- ৯, চকরিয়া, কক্সবাজার, ৪। মহি উদ্দিন, পিতা- মৃত শের আলী সও, সাং- মধ্যম নাপিতখালী, ইসলামপুর, ঈদগাঁও, কক্সবাজার, ৫। মোঃ হেলাল উদ্দিন, পিতা- নুরুচ্ছফা, সাং-হায়দারনাশী, গুলিস্থান বাজার, ০৩ নং ফাসিয়াখালী, লামা, বান্দারবান, ৬। আজিজুল হক, পিতা- মৃত আবদু শুকুর, সাং- লাইল্লারমার পাড়া, ১নং ওয়ার্ড, ৩নং ফাঁসিয়াখালী, লামা বান্দরবান, ৭। লিটন দে, পিতা- মৃত রনজিত চন্দ্র দে, সাং- গুলিস্থান বাজার, হায়দারনাশী, হিন্দুপাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, ৩নং ফাঁসিয়াখালী, লামা বান্দরবান, ৮। শফিউল আলম, পিতা- আলী আহাম্মদ, ৯। ছায়া রানি দে, পিতা- মতি লাল দে, ১০। সন্দিপ, পিতা- অজ্ঞাত, ১২। সুমন দাস, পিতা-অজ্ঞাত, ১৩। হৃদয় নাথ, পিতা- রেবতী নাথ, সর্বসাং- গুলিস্থান বাজার, হায়দারনাশী, হিন্দুপাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, ৩নং ফাঁসিয়াখালী, লামা বান্দরবান সহ অজ্ঞাত ৫/৬ জন”।

এই বিষয়ে লামা সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাসুম সরদার এঁর সাথে মুঠোফোনে আলাপ করে জানতে চায়লে, তিঁনি জানান, “বাসু চন্দ্র নাথ অনুমান বা আশঙ্কার জায়গা থেকে অভিযোগের আনায়ন করেছেন। এই ধরণের অভিযোগে পুলিশ তদন্ত করে দুই পক্ষকে সতর্ক করা ছাড়া আর কিছু করার থাকেনা। সুতরাং উভয়কে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পরস্পর সম্ভাব্য বিরোধ এড়িয়ে চলার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।