Lama ০২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বলীপাড়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা

বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলীপাড়া বাজারে সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪ পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পুত্র সাচিংপ্রু জেরীর পক্ষ থেকে পাঠানো এসব সহায়তা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বলীপাড়া বাজার শেডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪ পরিবারের প্রত্যেককে নগদ ১০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রীও বিতরণ করা হয়।

সহায়তা বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জেলা আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য মংশৈম্রাই মারমা, থানচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রো, সাবেক সহসভাপতি ক্যসাউ মারমা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস, রেমাক্রী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মংএনু মারমা, সাধারণ সম্পাদক উবামং মারমা, থানচি সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু নোমান, তিন্দু ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শৈবাথোয়াই মারমা এবং কৃষক দলের আহ্বায়ক মংসাগ্য মারমা।

এ ছাড়া যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিতরণ অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতারা বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি সামাজিক দায়বদ্ধতারও অংশ। একটি দুর্ঘটনায় মানুষের ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও জীবিকার অবলম্বন পুড়ে গেলেও তাদের মনোবল যাতে ভেঙে না পড়ে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে দাঁড়াতে হবে।

তারা আরও বলেন, সরকার ও প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের সম্মিলিত সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সাময়িক এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঘুরে দাঁড়ানোর পথে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে। ভবিষ্যতেও দুর্গম এলাকার মানুষের দুর্যোগ ও সংকটে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।

স্থানীয়রা জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ অবস্থায় ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি বয়ে আনবে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের দোকানঘর পুনর্নির্মাণের জন্য সহজ শর্তে ব্যাংকঋণের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

বলীপাড়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা

Bandarban Tribune

বলীপাড়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা

Update Time : ১০:৫৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলীপাড়া বাজারে সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪ পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পুত্র সাচিংপ্রু জেরীর পক্ষ থেকে পাঠানো এসব সহায়তা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বলীপাড়া বাজার শেডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪ পরিবারের প্রত্যেককে নগদ ১০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রীও বিতরণ করা হয়।

সহায়তা বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জেলা আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য মংশৈম্রাই মারমা, থানচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রো, সাবেক সহসভাপতি ক্যসাউ মারমা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস, রেমাক্রী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মংএনু মারমা, সাধারণ সম্পাদক উবামং মারমা, থানচি সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু নোমান, তিন্দু ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শৈবাথোয়াই মারমা এবং কৃষক দলের আহ্বায়ক মংসাগ্য মারমা।

এ ছাড়া যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিতরণ অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতারা বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি সামাজিক দায়বদ্ধতারও অংশ। একটি দুর্ঘটনায় মানুষের ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও জীবিকার অবলম্বন পুড়ে গেলেও তাদের মনোবল যাতে ভেঙে না পড়ে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে দাঁড়াতে হবে।

তারা আরও বলেন, সরকার ও প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের সম্মিলিত সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সাময়িক এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঘুরে দাঁড়ানোর পথে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে। ভবিষ্যতেও দুর্গম এলাকার মানুষের দুর্যোগ ও সংকটে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।

স্থানীয়রা জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ অবস্থায় ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি বয়ে আনবে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের দোকানঘর পুনর্নির্মাণের জন্য সহজ শর্তে ব্যাংকঋণের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।