Lama ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এপিসোড

লামায় নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গৃহবধুর পলায়ন 

বাপের বাড়িতে আত্মগোপন করে স্বামীর পরিবারকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা। লামা উপজেলা ফাইতং ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড সুতাবাদি গ্রামে প্রবাসী মোর্শেদ আলমের সাথে তার স্ত্রী ঝগড়া করে বাপের বাড়িতে গিয়ে আত্মগোপন করার ঘটনাকে ভিন্নখাতে রুপ দিয়ে  হয়রানীর অভিযোগ। 

উপজেলার ফাইতং ইউপির সুতাবাদি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটিকে প্রবাসী স্বামীর পরিবারকে ফাঁদে আটকিয়ে মোটাংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ফাঁদ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

জানাযায়, ২৪ জুলাই রাতে মোর্শেদের ও স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া রেশমির মধ্যে ঝগড়া হয়। এর পরদিন ভোর বেলায় মোর্শেদ ঘুম ভেঙে দেখতে পায় ১৭ মাসের সন্তানসহ স্ত্রী ঘরে নেই, কিন্তু রুমের দরজা খোলা। মোর্শেদ আলম ও তার পরিবারবারে লোকেরা আশে পাশে খোঁজাখোঁজি করে রেশমিকে না পেয়ে, সবার সন্দেহ জাগে রেশমি পালিয়ে বাবার বাড়িতে চলে গেছে। এর পর মোর্শেদ আলম আলমারীতে রক্ষিত টাকা ও তার স্ত্রীর গয়ণার বক্স চেক করে দেখেন গয়ণা ও রক্ষিত টাকা কোনোটাই নেই।

বিজ্ঞাপন

এর পর মোর্শেদ ও তার পরিবারের লোকেরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি করতে থ্কেন। এক পর্যায়ে মোর্শেদের পরিবার প্রত্যক্ষদর্শীর মাধ্যমে জানতে পারেন যে, ২৫ জুলাই সকালে রেশমি তার শিশু সন্তান নিয়ে বাপের বাড়িতে যায়। সেখানে প্রত্যক্ষদর্শী কতিপয় দোকানদার দেখতে পান যে, সকাল বেলা রেশমি অটো রিক্সা থেকে নামেন এবং সেখানে অপেক্ষমাণ তার বাবা আবুল কালাম ছোট একটি শিশুসহ রেশমিকে বাড়ির দিকে নিয়ে যান।

মোর্শেদ আলম জানান, ২৫ জুলাই ভোরবেলা পরিবারেরর কাউকে কিছু না বলে তার স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া রেশমি চার ভরি চার আনা ওজনের স্বর্ণ, আলমারীতে রক্ষিত নগদ চার লাখ ৭০ হাজার টাকা, ও দামী কাপড়-চোপড় নিয়ে পালিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

মোর্শেদ আলম আরো জানায়, তার স্ত্রী পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে গেছে। সে কলেজে তার বন্ধুবান্ধবের কাছে নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দেয়। এই সংক্রান্ত কিছু ভার্চুয়াল প্রমানও রয়েছে বলে রেশমির স্বামী মোর্শেদ দাবি করেন।

রেশমির বাবার বাড়ি: চকরিয়াস্থ কাকারা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড নলবিলা গ্রামে। তার পিতার নাম আবুল কালাম।

মোর্শেদের পরিবার দাবি করছেন, গৃহবধু রেশমি তার বাবাদ্বারা প্ররোচিত হয়ে নগদ ৪ লাখ টাকা, ৪ ভরি চার আনা ওজনের স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে বাপের বাড়ি চলে যায়।

বিজ্ঞাপন

২৫ জুলাই সকালে রেশমির বাবা আবুল কালাম রেশমিকে তার পরিবার মেরে গুম করে রেখেছে মর্মে প্রচারণা চালায়। শশুর বাড়িতে রেশমিকে নির্যাতন ও মেরে গুম করে রাখা হয়েছে; এমন দাবি করে মোর্শেদ আলম, তার পিতা আবু নছর ও মা মনোয়ারা বেগমকে অভিযুক্ত করে ফাইতং পুলিশ ক্যাম্পে অভিযোগ করেন।

এই অভিযোগে ২৫ জুলাই দুপুরের দিকে ফাইতং পুলি ফাঁড়ির এসআই নিশান বল মোর্শেদ আলমদের ঘরের প্রতিটি কক্ষ তল্লাসি করেন। এ সময় রেশমির পিতাও পুলিশের সাথে ছিলো। এর পর এস আই নিশান বল মোর্শেদ আলমের পরিবারের সবাইকে বাড়ির সামনে দুপুর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত রাস্তায় বসিয়ে রেখে মানসিক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ করেন মোর্শেদ এর পরিবারের সদস্যরা।

এক লাখ টাকার দেন দরবার করে পরে রেশমির অবস্থান তার পিত্রালয় নিশ্চিত হন এস আই নিশান বল। এর পর মধ্যরাতে কয়েকটি কড়া শর্তারোপ করে চলে যায় এসআই নিশান।

মোর্শেদ এর পারবারিক সূত্রে জানাযায়, ২০২৪ সালে মে মাসে তাড়াহুড়া করে জান্নাতুল মাওয়া রেশমির সাথে কাতার প্রবাসী মোর্শেদ আলমের সাথে ৫ লাখ নগদ ও ৫ লাখ টাকা বাকি মোহরানা ধার্য্য করে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন না যেতেই মোরশেদ ও তার স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ চলতে থাকে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, মোর্শেদ আলম শান্ত প্রকৃতির হলেও স্ত্রী রেশমি অনেকটা চঞ্চল। প্রবাসীর স্বামীর সাথে খাব খায়ে চলতে পারেনা সে। রেশমি পরকীয়া আসক্ত এবং তার বাবারদ্বারা খুবই প্রভাবিত।

রেশমি আর মোর্শেদ এর দাম্পত্য জীবনে তারা একটি সন্তান লাভ করেন, যার বয়স বর্তমানে প্রায় দেড় বছর । মাঝে মধ্যে রেশমি চলাফেরায় পুর্নাঙ্গ স্বাধীনতা না পেলে ঠুনকো কারণে স্বামীর সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে আত্মহত্যার অভিনয় করতো।

বিগত বছর খানেক আগে রেশমির বাবার প্ররোচনায় মোর্শেদ আলম ও তার পিতা মাতাকে আসামী করে কক্সবাজার আদালতে রেশমির মা বাদী হয়ে নির্যাতন ও যৌতুকের মামলা করেন।

মোর্শেদ এর বাবা আবু নছর জানান, ওই মামলায় বিদেশ থেকে এসে হাজিরা দিয়ে মোর্শেদ জামিন লাভ করেন। জামিনের পুরোপুরি শর্ত মোর্শেদ ও তার পরিবার মেনে চললেও রেশমির পরিবার নানান টালবাহানায় শর্ত ভঙ্গ করতে থাকেন।

বিজ্ঞাপন

জানাযায়, জান্নাতুল মাওয়া রেশমি তার বাবার পরামর্শে মোর্শেদ এর পরিবারকে বেকায়দায় ফেলে মোটাংকের টাকা হাতিয়ে নিতে চায়। এর সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে, রেশমিকে দিয়ে ৪ ভরিরও বেশি স্বর্ণ অলঙ্কার ও চার লাখ সত্তর হাজার টাকা চুরি করিয়ে রেশমিকে আত্মগোপনে রেখে ফাইতং পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ করেন।

মোর্শেদ আলম এর পরিবারের দাবি হচ্ছে, ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ির এস আই নিশান এই ষড়যন্ত্রের বিষয়ে জানেন এবং এই প্রতারণার পেছনে তার নেপথ্য ভূমিকা রয়েছে।

এসব বিষয়ে জানানর জন্য এসআই নিশান বল এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হয় কিন্তু সে রেসপন্স না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায় নাই।

এসব বিষয়ে ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর হীমেল রায় এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, “জান্নাতুল মাওয়া রেশমির বাবা আবুল কালাম একটি অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি আমি দেখতেছি।” ফাঁড়িতে নতুন যোগদান করার কারনে এসআই নিশান বল এর বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান।

[পরের পর্বে রয়েছে; ফাইতংয়ে এসআই নিশান বল ফ্যাসিবাদ চরিত্রে রাম রাজত্বের কায়েমের কাহিনী এবং একটি পরকীয়া প্রেমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।]

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

কক্সবাজারে আইন-শৃঙ্খলা, সুশাসন নিশ্চিতকরণ ও মাদক বিরোধী বিশেষ সভা

Bandarban Tribune

এপিসোড

লামায় নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গৃহবধুর পলায়ন 

Update Time : ১২:৪৭:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

বাপের বাড়িতে আত্মগোপন করে স্বামীর পরিবারকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা। লামা উপজেলা ফাইতং ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড সুতাবাদি গ্রামে প্রবাসী মোর্শেদ আলমের সাথে তার স্ত্রী ঝগড়া করে বাপের বাড়িতে গিয়ে আত্মগোপন করার ঘটনাকে ভিন্নখাতে রুপ দিয়ে  হয়রানীর অভিযোগ। 

উপজেলার ফাইতং ইউপির সুতাবাদি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটিকে প্রবাসী স্বামীর পরিবারকে ফাঁদে আটকিয়ে মোটাংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ফাঁদ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

জানাযায়, ২৪ জুলাই রাতে মোর্শেদের ও স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া রেশমির মধ্যে ঝগড়া হয়। এর পরদিন ভোর বেলায় মোর্শেদ ঘুম ভেঙে দেখতে পায় ১৭ মাসের সন্তানসহ স্ত্রী ঘরে নেই, কিন্তু রুমের দরজা খোলা। মোর্শেদ আলম ও তার পরিবারবারে লোকেরা আশে পাশে খোঁজাখোঁজি করে রেশমিকে না পেয়ে, সবার সন্দেহ জাগে রেশমি পালিয়ে বাবার বাড়িতে চলে গেছে। এর পর মোর্শেদ আলম আলমারীতে রক্ষিত টাকা ও তার স্ত্রীর গয়ণার বক্স চেক করে দেখেন গয়ণা ও রক্ষিত টাকা কোনোটাই নেই।

বিজ্ঞাপন

এর পর মোর্শেদ ও তার পরিবারের লোকেরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি করতে থ্কেন। এক পর্যায়ে মোর্শেদের পরিবার প্রত্যক্ষদর্শীর মাধ্যমে জানতে পারেন যে, ২৫ জুলাই সকালে রেশমি তার শিশু সন্তান নিয়ে বাপের বাড়িতে যায়। সেখানে প্রত্যক্ষদর্শী কতিপয় দোকানদার দেখতে পান যে, সকাল বেলা রেশমি অটো রিক্সা থেকে নামেন এবং সেখানে অপেক্ষমাণ তার বাবা আবুল কালাম ছোট একটি শিশুসহ রেশমিকে বাড়ির দিকে নিয়ে যান।

মোর্শেদ আলম জানান, ২৫ জুলাই ভোরবেলা পরিবারেরর কাউকে কিছু না বলে তার স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া রেশমি চার ভরি চার আনা ওজনের স্বর্ণ, আলমারীতে রক্ষিত নগদ চার লাখ ৭০ হাজার টাকা, ও দামী কাপড়-চোপড় নিয়ে পালিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

মোর্শেদ আলম আরো জানায়, তার স্ত্রী পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে গেছে। সে কলেজে তার বন্ধুবান্ধবের কাছে নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দেয়। এই সংক্রান্ত কিছু ভার্চুয়াল প্রমানও রয়েছে বলে রেশমির স্বামী মোর্শেদ দাবি করেন।

রেশমির বাবার বাড়ি: চকরিয়াস্থ কাকারা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড নলবিলা গ্রামে। তার পিতার নাম আবুল কালাম।

মোর্শেদের পরিবার দাবি করছেন, গৃহবধু রেশমি তার বাবাদ্বারা প্ররোচিত হয়ে নগদ ৪ লাখ টাকা, ৪ ভরি চার আনা ওজনের স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে বাপের বাড়ি চলে যায়।

বিজ্ঞাপন

২৫ জুলাই সকালে রেশমির বাবা আবুল কালাম রেশমিকে তার পরিবার মেরে গুম করে রেখেছে মর্মে প্রচারণা চালায়। শশুর বাড়িতে রেশমিকে নির্যাতন ও মেরে গুম করে রাখা হয়েছে; এমন দাবি করে মোর্শেদ আলম, তার পিতা আবু নছর ও মা মনোয়ারা বেগমকে অভিযুক্ত করে ফাইতং পুলিশ ক্যাম্পে অভিযোগ করেন।

এই অভিযোগে ২৫ জুলাই দুপুরের দিকে ফাইতং পুলি ফাঁড়ির এসআই নিশান বল মোর্শেদ আলমদের ঘরের প্রতিটি কক্ষ তল্লাসি করেন। এ সময় রেশমির পিতাও পুলিশের সাথে ছিলো। এর পর এস আই নিশান বল মোর্শেদ আলমের পরিবারের সবাইকে বাড়ির সামনে দুপুর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত রাস্তায় বসিয়ে রেখে মানসিক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ করেন মোর্শেদ এর পরিবারের সদস্যরা।

এক লাখ টাকার দেন দরবার করে পরে রেশমির অবস্থান তার পিত্রালয় নিশ্চিত হন এস আই নিশান বল। এর পর মধ্যরাতে কয়েকটি কড়া শর্তারোপ করে চলে যায় এসআই নিশান।

মোর্শেদ এর পারবারিক সূত্রে জানাযায়, ২০২৪ সালে মে মাসে তাড়াহুড়া করে জান্নাতুল মাওয়া রেশমির সাথে কাতার প্রবাসী মোর্শেদ আলমের সাথে ৫ লাখ নগদ ও ৫ লাখ টাকা বাকি মোহরানা ধার্য্য করে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন না যেতেই মোরশেদ ও তার স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ চলতে থাকে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, মোর্শেদ আলম শান্ত প্রকৃতির হলেও স্ত্রী রেশমি অনেকটা চঞ্চল। প্রবাসীর স্বামীর সাথে খাব খায়ে চলতে পারেনা সে। রেশমি পরকীয়া আসক্ত এবং তার বাবারদ্বারা খুবই প্রভাবিত।

রেশমি আর মোর্শেদ এর দাম্পত্য জীবনে তারা একটি সন্তান লাভ করেন, যার বয়স বর্তমানে প্রায় দেড় বছর । মাঝে মধ্যে রেশমি চলাফেরায় পুর্নাঙ্গ স্বাধীনতা না পেলে ঠুনকো কারণে স্বামীর সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে আত্মহত্যার অভিনয় করতো।

বিগত বছর খানেক আগে রেশমির বাবার প্ররোচনায় মোর্শেদ আলম ও তার পিতা মাতাকে আসামী করে কক্সবাজার আদালতে রেশমির মা বাদী হয়ে নির্যাতন ও যৌতুকের মামলা করেন।

মোর্শেদ এর বাবা আবু নছর জানান, ওই মামলায় বিদেশ থেকে এসে হাজিরা দিয়ে মোর্শেদ জামিন লাভ করেন। জামিনের পুরোপুরি শর্ত মোর্শেদ ও তার পরিবার মেনে চললেও রেশমির পরিবার নানান টালবাহানায় শর্ত ভঙ্গ করতে থাকেন।

বিজ্ঞাপন

জানাযায়, জান্নাতুল মাওয়া রেশমি তার বাবার পরামর্শে মোর্শেদ এর পরিবারকে বেকায়দায় ফেলে মোটাংকের টাকা হাতিয়ে নিতে চায়। এর সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে, রেশমিকে দিয়ে ৪ ভরিরও বেশি স্বর্ণ অলঙ্কার ও চার লাখ সত্তর হাজার টাকা চুরি করিয়ে রেশমিকে আত্মগোপনে রেখে ফাইতং পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ করেন।

মোর্শেদ আলম এর পরিবারের দাবি হচ্ছে, ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ির এস আই নিশান এই ষড়যন্ত্রের বিষয়ে জানেন এবং এই প্রতারণার পেছনে তার নেপথ্য ভূমিকা রয়েছে।

এসব বিষয়ে জানানর জন্য এসআই নিশান বল এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হয় কিন্তু সে রেসপন্স না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায় নাই।

এসব বিষয়ে ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর হীমেল রায় এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, “জান্নাতুল মাওয়া রেশমির বাবা আবুল কালাম একটি অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি আমি দেখতেছি।” ফাঁড়িতে নতুন যোগদান করার কারনে এসআই নিশান বল এর বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান।

[পরের পর্বে রয়েছে; ফাইতংয়ে এসআই নিশান বল ফ্যাসিবাদ চরিত্রে রাম রাজত্বের কায়েমের কাহিনী এবং একটি পরকীয়া প্রেমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।]