Lama ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতি মন্ত্রী মীর হেলাল বলেছেন

পাহাড়ের শিক্ষার্থীদেরকে ই-লার্নিং ও আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে সমতলের শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ করে তুলতে হবে

পাহাড়ি অঞ্চলে কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ, কৃষির আধুনিকায়ন এবং শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু ও প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

সোমবার ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আগস্ট ২০২৬ মাসের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি—এডিপি পর্যালোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন।

সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাস্তবায়নাধীন এডিপিভুক্ত প্রকল্পগুলোর আর্থিক ও বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এ অর্থবছরে জিওবি ও প্রকল্প সাহায্যসহ মোট ৯৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।

মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, পাহাড়ের পর্যটন শিল্পকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন। সাজেক ভ্যালিতে পর্যটকের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক গাড়ির চাপ বাড়ায় সেখানে পার্কিং, ওয়াশরুম ও ট্রানজিট পয়েন্ট উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারেন। পাশাপাশি লাল মাশরুম চাষ ও পানি সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের ই-লার্নিং ও আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে সমতলের শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ। প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুপেয় পানি সরবরাহ, সোলার প্যানেল স্থাপন এবং নারীদের পানি সংগ্রহের কষ্ট কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূমিধস মোকাবিলায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে পরিকল্পিত পর্যটন ও কর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয় সভায়।

সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, বিভিন্ন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

লামা প্রেসক্লাব ঘিরে প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের নেপথ্য ষড়যন্ত্র, জনমনে তীব্র ক্ষোভ

Bandarban Tribune

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতি মন্ত্রী মীর হেলাল বলেছেন

পাহাড়ের শিক্ষার্থীদেরকে ই-লার্নিং ও আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে সমতলের শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ করে তুলতে হবে

Update Time : ০৬:২৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাহাড়ি অঞ্চলে কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ, কৃষির আধুনিকায়ন এবং শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু ও প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

সোমবার ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আগস্ট ২০২৬ মাসের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি—এডিপি পর্যালোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন।

সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাস্তবায়নাধীন এডিপিভুক্ত প্রকল্পগুলোর আর্থিক ও বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এ অর্থবছরে জিওবি ও প্রকল্প সাহায্যসহ মোট ৯৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।

মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, পাহাড়ের পর্যটন শিল্পকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন। সাজেক ভ্যালিতে পর্যটকের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক গাড়ির চাপ বাড়ায় সেখানে পার্কিং, ওয়াশরুম ও ট্রানজিট পয়েন্ট উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারেন। পাশাপাশি লাল মাশরুম চাষ ও পানি সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের ই-লার্নিং ও আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে সমতলের শিক্ষার্থীদের সমকক্ষ। প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুপেয় পানি সরবরাহ, সোলার প্যানেল স্থাপন এবং নারীদের পানি সংগ্রহের কষ্ট কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূমিধস মোকাবিলায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে পরিকল্পিত পর্যটন ও কর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয় সভায়।

সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, বিভিন্ন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।