Lama ০২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলীকদমের ৭ মাসের শিশু নিখোঁজ, হাসপাতালে মিলল আরেক শিশু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৫ Time View

আলীকদমের ৭ মাসের শিশু নিখোঁজ, হাসপাতালে মিলল আরেক শিশু

 

আলীকদম (বান্দরবান)

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাত মাসের শিশু মো. রাকিব ইসলাম নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় নতুন করে নানা প্রশ্ন সামনে এসেছে। পরিবারের অভিযোগ, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার শিশু ওয়ার্ডের বি-ব্লকের ১১ নম্বর শয্যা থেকে এক অজ্ঞাত নারী শিশুটিকে নিয়ে চলে যান। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে ওই নারী শিশুটিকে কোলে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশায় উঠতে দেখা গেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

 

নিখোঁজ রাকিব আলীকদমের বাসিন্দা। অসুস্থ অবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালসহ আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শিশুটিকে উদ্ধারের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হয়।

 

রাকিবের বাবা রুবেল ইসলাম বলেন, “আমার সন্তানকে দ্রুত খুঁজে বের করে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আমরা প্রতিটি মুহূর্ত উৎকণ্ঠার মধ্যে কাটাচ্ছি। যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের শনাক্ত করে শিশুটিকে উদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন ও পুলিশের কাছে অনুরোধ করছি।”

 

এর মধ্যেই ঘটনায় আসে নতুন মোড়। পুলিশ জানতে পারে, হাসপাতালেই আরও একটি প্রায় সাত মাস বয়সী শিশুকে পাওয়া গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, রাকিবকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠা ওই নারীই অন্য শিশুটিকে হাসপাতালে রেখে যেতে পারেন। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়।

 

পুলিশ ওই শিশুটির পরিচয়, তার বাবা-মা কারা, কোথা থেকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং রাকিব নিখোঁজের ঘটনার সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে। প্রয়োজনে শিশুটিকে চট্টগ্রামে নিয়ে গিয়ে তার পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য যাচাই করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

 

ঘটনার রাতেই আরও একটি বিষয় সামনে আসে। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে রাকিবের বাবার মোবাইল ফোনে কল করে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে পরিবার জানিয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, ওই টাকা দাবির কলটি একটি প্রতারণা চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার সঙ্গে ওই কলের সরাসরি কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা এখনো তদন্তাধীন।

 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইলিয়াস সিকদারের দেওয়া একটি পোস্টে মন্তব্য করে ঘটনার বিষয়ে তথ্য দেন আরিয়ান আহমেদ আরাফাত। তার দাবি, শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ব্যবহৃত বলে ধারণা করা সিএনজি অটোরিকশার চালকের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেছেন এবং চালকের সঙ্গে শিশুটির বাবারও কথা বলিয়ে দিয়েছেন।

 

আরাফাতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই নারী প্রথমে সিএনজি অটোরিকশাটি কোর্টবাজার যাওয়ার জন্য ভাড়া করেন। পরে গন্তব্য পরিবর্তন করে সোনারপাড়া যাওয়ার কথা বলেন এবং শেষ পর্যন্ত সোনার স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় নামেন। চালকের কাছে ভাড়া দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তিনি একটি বিকাশের দোকানে গিয়ে টাকা উত্তোলন করে সিএনজি ভাড়া পরিশোধ করেন বলে চালক জানিয়েছেন।

 

ওই বিকাশ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট নারীর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর শনাক্তে তা কাজে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এসব তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা হয়নি।

 

পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ, সিএনজি চালকের তথ্য এবং বিকাশ লেনদেনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হলে ওই নারীর পরিচয় শনাক্তে অগ্রগতি হতে পারে। একই সঙ্গে হাসপাতালে পাওয়া অন্য শিশুটির পরিচয় উদঘাটনও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, পুলিশ ঘটনাটি নিয়ে কাজ করছে। তবে তদন্তের বিস্তারিত বিষয়ে তিনি আর কিছু জানাননি।

 

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তা পাঠিয়ে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

 

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ শিশু রাকিবের সন্ধান বা ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে পাওয়া অন্য শিশুর পরিচয় এবং টাকা দাবির ফোনকলের মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধারে ঘটনার প্রতিটি সূত্র গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন স্বজনরা। বিশেষ করে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ, সন্দেহভাজন নারীর গতিবিধি, সিএনজি চালকের দেওয়া তথ্য, বিকাশের লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হলে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

 

একই সঙ্গে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি ও পুলিশের সাইবার সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সমন্বিত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা। প্রয়োজন হলে র‌্যাবসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সহায়তা নিয়ে দ্রুত শিশুটির অবস্থান শনাক্ত ও উদ্ধারে অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

বাঘাইহাট সেনা জোনের সহায়তায় চট্টগ্রামে গেলেন ১৭ চক্ষু রোগী

Bandarban Tribune

আলীকদমের ৭ মাসের শিশু নিখোঁজ, হাসপাতালে মিলল আরেক শিশু

Update Time : ০১:৩৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আলীকদমের ৭ মাসের শিশু নিখোঁজ, হাসপাতালে মিলল আরেক শিশু

 

আলীকদম (বান্দরবান)

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাত মাসের শিশু মো. রাকিব ইসলাম নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় নতুন করে নানা প্রশ্ন সামনে এসেছে। পরিবারের অভিযোগ, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার শিশু ওয়ার্ডের বি-ব্লকের ১১ নম্বর শয্যা থেকে এক অজ্ঞাত নারী শিশুটিকে নিয়ে চলে যান। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে ওই নারী শিশুটিকে কোলে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশায় উঠতে দেখা গেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

 

নিখোঁজ রাকিব আলীকদমের বাসিন্দা। অসুস্থ অবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালসহ আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শিশুটিকে উদ্ধারের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হয়।

 

রাকিবের বাবা রুবেল ইসলাম বলেন, “আমার সন্তানকে দ্রুত খুঁজে বের করে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আমরা প্রতিটি মুহূর্ত উৎকণ্ঠার মধ্যে কাটাচ্ছি। যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের শনাক্ত করে শিশুটিকে উদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন ও পুলিশের কাছে অনুরোধ করছি।”

 

এর মধ্যেই ঘটনায় আসে নতুন মোড়। পুলিশ জানতে পারে, হাসপাতালেই আরও একটি প্রায় সাত মাস বয়সী শিশুকে পাওয়া গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, রাকিবকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠা ওই নারীই অন্য শিশুটিকে হাসপাতালে রেখে যেতে পারেন। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়।

 

পুলিশ ওই শিশুটির পরিচয়, তার বাবা-মা কারা, কোথা থেকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং রাকিব নিখোঁজের ঘটনার সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে। প্রয়োজনে শিশুটিকে চট্টগ্রামে নিয়ে গিয়ে তার পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য যাচাই করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

 

ঘটনার রাতেই আরও একটি বিষয় সামনে আসে। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে রাকিবের বাবার মোবাইল ফোনে কল করে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে পরিবার জানিয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, ওই টাকা দাবির কলটি একটি প্রতারণা চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার সঙ্গে ওই কলের সরাসরি কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা এখনো তদন্তাধীন।

 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইলিয়াস সিকদারের দেওয়া একটি পোস্টে মন্তব্য করে ঘটনার বিষয়ে তথ্য দেন আরিয়ান আহমেদ আরাফাত। তার দাবি, শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ব্যবহৃত বলে ধারণা করা সিএনজি অটোরিকশার চালকের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেছেন এবং চালকের সঙ্গে শিশুটির বাবারও কথা বলিয়ে দিয়েছেন।

 

আরাফাতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই নারী প্রথমে সিএনজি অটোরিকশাটি কোর্টবাজার যাওয়ার জন্য ভাড়া করেন। পরে গন্তব্য পরিবর্তন করে সোনারপাড়া যাওয়ার কথা বলেন এবং শেষ পর্যন্ত সোনার স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় নামেন। চালকের কাছে ভাড়া দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তিনি একটি বিকাশের দোকানে গিয়ে টাকা উত্তোলন করে সিএনজি ভাড়া পরিশোধ করেন বলে চালক জানিয়েছেন।

 

ওই বিকাশ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট নারীর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর শনাক্তে তা কাজে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এসব তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা হয়নি।

 

পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ, সিএনজি চালকের তথ্য এবং বিকাশ লেনদেনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হলে ওই নারীর পরিচয় শনাক্তে অগ্রগতি হতে পারে। একই সঙ্গে হাসপাতালে পাওয়া অন্য শিশুটির পরিচয় উদঘাটনও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, পুলিশ ঘটনাটি নিয়ে কাজ করছে। তবে তদন্তের বিস্তারিত বিষয়ে তিনি আর কিছু জানাননি।

 

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তা পাঠিয়ে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

 

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ শিশু রাকিবের সন্ধান বা ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে পাওয়া অন্য শিশুর পরিচয় এবং টাকা দাবির ফোনকলের মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধারে ঘটনার প্রতিটি সূত্র গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন স্বজনরা। বিশেষ করে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ, সন্দেহভাজন নারীর গতিবিধি, সিএনজি চালকের দেওয়া তথ্য, বিকাশের লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হলে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

 

একই সঙ্গে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি ও পুলিশের সাইবার সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সমন্বিত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা। প্রয়োজন হলে র‌্যাবসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সহায়তা নিয়ে দ্রুত শিশুটির অবস্থান শনাক্ত ও উদ্ধারে অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।