Lama ০৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ২৬ হাজার গাছের চারা বিতরণ, মাদ্রাসা-এতিমখানায় শুকনো খাদ্য সহায়তা প্রদান

  • মোঃ আল আমিন
  • Update Time : ০৬:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ১৭ Time View

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে ২৬ হাজার ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি বালিকা মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা ও শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১৯ জুলাই) সকালে ‘পরিকল্পিত বনায়ন গড়ি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ০৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (দি বেবি টাইগার্স)-এর আওতাধীন দীঘিনালা জোন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।

এদিন উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের ৪ নম্বর টাওয়ার টিলা এলাকার দারুল উলুম সাহিদা সুমাইয়া বালিকা মাদ্রাসা ও এতিমখানায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দীঘিনালা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসি।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা ও এতিমখানার ২৫০ জন ছাত্রীর মধ্যে ৪০০টি বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি খেজুর, চিড়া, বিস্কুট, মুড়িসহ বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়।

দীঘিনালা জোন সূত্র জানায়, পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা এবং এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে একই দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৬ হাজার ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-আমিন এর নির্দেশনায় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে এসব চারা বিতরণ করা হয়।

চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত দীঘিনালা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শিহাবুন সাকিব রুশাদ বলেন, “একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সবাই যদি অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করেন, তাহলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”

এ সময় জোনের ক্যাপ্টেন আবদুল্লাহ আল আজমী, কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা, বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমাসহ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

‎১৮তম বিজিএস-এ জজ হলেন ববির তিন শিক্ষার্থী

Bandarban Tribune

দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ২৬ হাজার গাছের চারা বিতরণ, মাদ্রাসা-এতিমখানায় শুকনো খাদ্য সহায়তা প্রদান

Update Time : ০৬:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে ২৬ হাজার ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি বালিকা মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা ও শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১৯ জুলাই) সকালে ‘পরিকল্পিত বনায়ন গড়ি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ০৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (দি বেবি টাইগার্স)-এর আওতাধীন দীঘিনালা জোন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।

এদিন উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের ৪ নম্বর টাওয়ার টিলা এলাকার দারুল উলুম সাহিদা সুমাইয়া বালিকা মাদ্রাসা ও এতিমখানায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দীঘিনালা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসি।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা ও এতিমখানার ২৫০ জন ছাত্রীর মধ্যে ৪০০টি বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি খেজুর, চিড়া, বিস্কুট, মুড়িসহ বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়।

দীঘিনালা জোন সূত্র জানায়, পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা এবং এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে একই দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৬ হাজার ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-আমিন এর নির্দেশনায় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে এসব চারা বিতরণ করা হয়।

চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত দীঘিনালা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শিহাবুন সাকিব রুশাদ বলেন, “একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সবাই যদি অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করেন, তাহলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”

এ সময় জোনের ক্যাপ্টেন আবদুল্লাহ আল আজমী, কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা, বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমাসহ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।