Lama ০৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদগাঁও উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নতুন ভবন নির্মাণে বরাদ্দ সাড়ে ৫ কোটি

  • রেজাউল
  • Update Time : ১০:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • ৪৪ Time View

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এবং সেবার মান বাড়াতে দ্রুতই দৃশ্যমান হচ্ছে নতুন অবকাঠামো। ঈদগাঁও ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরনো পরিত্যক্ত ভবন ভেঙে সেখানে ৫ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে আধুনিক মানের নতুন ভবন।

তবে নতুন ভবনের এই আশাজাগানিয়া খবরের পাশাপাশি আবাসন সংকট, নিরাপত্তা ও নতুন চিকিৎসকদের বেতন কোড জটিলতার কারণে সীমিত সাধ্যের মধ্য দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে চলছে বর্তমান চিকিৎসাসেবা।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য ও প্রশাসনিক সূত্র ধরে ঈদগাঁও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:

​নতুন ভবন নির্মাণে সাড়ে ৫ কোটি টাকার বরাদ্দ; পুরনো ভবন ভেঙে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মোহাম্মদ ছাবের। তিনি জানান, ঈদগাঁও ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিত্যক্ত তিনটি পুরনো ভবন ইতোমধ্যে ভেঙে ফেলা হচ্ছে এবং সেখানে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে।

​”স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অর্থায়নে এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের (HED) তত্ত্বাবধানে এই নতুন ভবন নির্মাণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। নির্মাণকাজ শেষ হলে জেলা সিভিল সার্জন অফিস, ঈদগাঁও ও কক্সবাজার সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয় নতুন ভবনটি বুঝে নেবেন।”

তবে ভবন নির্মাণে অর্থায়ন, বাস্তবায়ন কার্যক্রমের নিখুঁত তত্ত্বাবধান এবং টেন্ডার আহ্বানসহ বিধি মোতাবেক অন্যান্য বিস্তারিত কার্যক্রমের ব্যাপারে পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভবন নির্মাণের বরাদ্দের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা টিটু চন্দ্র শীল। তিনি জানান, ঈদগাঁও উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নতুন ভবনের জন্য সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৫ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে।

বিজ্ঞাপন

বর্তমানে টেন্ডারের মাধ্যমে পরিত্যক্ত তিনটি পুরনো ভবন ভাঙার কাজ চলছে। এরপর স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে নতুন টেন্ডার আহ্বানের মাধ্যমে মূল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হবে।

​তিনি আরও জানান, বিশ্ব ব্যাংকের ‘ইন্টারন্যাশনাল সাপোর্ট অর্গানাইজেশন’ প্রকল্প সরকারের অনুমতিক্রমে এই নির্মাণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। তবে বাজেটের সমুদয় অর্থ বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) থেকে মঞ্জুর করা হয়েছে এবং জেলা সিভিল সার্জন সামগ্রিক বিষয়টি ব্যবস্থাপনা করছেন।

বিজ্ঞাপন

প্রশাসনিক জটিলতা ও সীমিত সম্পদের মধ্যেও মাঠ পর্যায়ে সেবা সচল রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ঈদগাঁও উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রোখসানা আফাজ। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এই কর্মকর্তা জানান, তিনি এই কেন্দ্রে যোগদানের পর হাসপাতালের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেইন গেট স্থাপন করে কার্যক্রমে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন।

​বর্তমানে একটি মাত্র ভবনে তিনটি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম জোড়াতালি দিয়ে চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন; আবাসন ও নিরাপত্তা সংকট। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

​দাপ্তরিক যোগাযোগ: ঈদগাঁওতে একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক চিঠি চালাচালি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে অব্যাহত রেখেছেন।

​সেবার পরিধি: নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হলে বিধিমতে সেখানে কনসালটেন্ট ও মেডিকেল অফিসার নিয়োগসহ ডেলিভারি, মা ও শিশুর সেবা এবং বহির্বিভাগের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে এটি ৫০ শয্যার বা বিশেষায়িত হাসপাতাল না হওয়ায় কোনো রোগী ভর্তি করা যাবে না, তবে আগ্রহীরা বহির্বিভাগ (OPD) থেকে নিয়মিত সেবা নিতে পারবেন।

​চিকিৎসকদের চলে যাওয়া ও বেতন কোড জটিলতা:

​নিয়োগকৃত মেডিকেল অফিসারদের অন্যত্র চলে যাওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কর্মকর্তারা বাস্তবসম্মত ও মানবিক দিকটি তুলে ধরেন। জীবনের প্রথম সরকারি চাকরিতে যোগদান করে আবাসন সংকট এবং যথাসময়ে বেতন-ভাতা না পেলে চিকিৎসকদের মনে কষ্ট লাগাটাই স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করা হয়।

​তবে আশার কথা হলো, ঈদগাঁও নতুন উপজেলা হওয়ায় এখানে এখনও অর্থনৈতিক বেতন কোড চালু হয়নি। এই উপজেলায় দ্রুত অর্থনৈতিক বেতন কোড চালু করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর অনেক আগেই আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এই কোড চালু হলেই নতুনভাবে পুনরায় স্থায়ী মেডিকেল অফিসার নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে এবং চিকিৎসকদের চলে যাওয়ার সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে।

​সীমাবদ্ধতা ও নানাবিধ সংকটের মাঝেও সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার এই নতুন প্রকল্প ঈদগাঁও উপজেলার বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তিতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও স্বাস্থ্য বিভাগ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

‎১৮তম বিজিএস-এ জজ হলেন ববির তিন শিক্ষার্থী

Bandarban Tribune

ঈদগাঁও উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নতুন ভবন নির্মাণে বরাদ্দ সাড়ে ৫ কোটি

Update Time : ১০:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এবং সেবার মান বাড়াতে দ্রুতই দৃশ্যমান হচ্ছে নতুন অবকাঠামো। ঈদগাঁও ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরনো পরিত্যক্ত ভবন ভেঙে সেখানে ৫ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে আধুনিক মানের নতুন ভবন।

তবে নতুন ভবনের এই আশাজাগানিয়া খবরের পাশাপাশি আবাসন সংকট, নিরাপত্তা ও নতুন চিকিৎসকদের বেতন কোড জটিলতার কারণে সীমিত সাধ্যের মধ্য দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে চলছে বর্তমান চিকিৎসাসেবা।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য ও প্রশাসনিক সূত্র ধরে ঈদগাঁও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:

​নতুন ভবন নির্মাণে সাড়ে ৫ কোটি টাকার বরাদ্দ; পুরনো ভবন ভেঙে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মোহাম্মদ ছাবের। তিনি জানান, ঈদগাঁও ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিত্যক্ত তিনটি পুরনো ভবন ইতোমধ্যে ভেঙে ফেলা হচ্ছে এবং সেখানে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে।

​”স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অর্থায়নে এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের (HED) তত্ত্বাবধানে এই নতুন ভবন নির্মাণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। নির্মাণকাজ শেষ হলে জেলা সিভিল সার্জন অফিস, ঈদগাঁও ও কক্সবাজার সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয় নতুন ভবনটি বুঝে নেবেন।”

তবে ভবন নির্মাণে অর্থায়ন, বাস্তবায়ন কার্যক্রমের নিখুঁত তত্ত্বাবধান এবং টেন্ডার আহ্বানসহ বিধি মোতাবেক অন্যান্য বিস্তারিত কার্যক্রমের ব্যাপারে পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভবন নির্মাণের বরাদ্দের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা টিটু চন্দ্র শীল। তিনি জানান, ঈদগাঁও উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নতুন ভবনের জন্য সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৫ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে।

বিজ্ঞাপন

বর্তমানে টেন্ডারের মাধ্যমে পরিত্যক্ত তিনটি পুরনো ভবন ভাঙার কাজ চলছে। এরপর স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে নতুন টেন্ডার আহ্বানের মাধ্যমে মূল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হবে।

​তিনি আরও জানান, বিশ্ব ব্যাংকের ‘ইন্টারন্যাশনাল সাপোর্ট অর্গানাইজেশন’ প্রকল্প সরকারের অনুমতিক্রমে এই নির্মাণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। তবে বাজেটের সমুদয় অর্থ বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) থেকে মঞ্জুর করা হয়েছে এবং জেলা সিভিল সার্জন সামগ্রিক বিষয়টি ব্যবস্থাপনা করছেন।

বিজ্ঞাপন

প্রশাসনিক জটিলতা ও সীমিত সম্পদের মধ্যেও মাঠ পর্যায়ে সেবা সচল রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ঈদগাঁও উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রোখসানা আফাজ। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এই কর্মকর্তা জানান, তিনি এই কেন্দ্রে যোগদানের পর হাসপাতালের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেইন গেট স্থাপন করে কার্যক্রমে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন।

​বর্তমানে একটি মাত্র ভবনে তিনটি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম জোড়াতালি দিয়ে চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন; আবাসন ও নিরাপত্তা সংকট। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

​দাপ্তরিক যোগাযোগ: ঈদগাঁওতে একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক চিঠি চালাচালি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে অব্যাহত রেখেছেন।

​সেবার পরিধি: নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হলে বিধিমতে সেখানে কনসালটেন্ট ও মেডিকেল অফিসার নিয়োগসহ ডেলিভারি, মা ও শিশুর সেবা এবং বহির্বিভাগের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে এটি ৫০ শয্যার বা বিশেষায়িত হাসপাতাল না হওয়ায় কোনো রোগী ভর্তি করা যাবে না, তবে আগ্রহীরা বহির্বিভাগ (OPD) থেকে নিয়মিত সেবা নিতে পারবেন।

​চিকিৎসকদের চলে যাওয়া ও বেতন কোড জটিলতা:

​নিয়োগকৃত মেডিকেল অফিসারদের অন্যত্র চলে যাওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কর্মকর্তারা বাস্তবসম্মত ও মানবিক দিকটি তুলে ধরেন। জীবনের প্রথম সরকারি চাকরিতে যোগদান করে আবাসন সংকট এবং যথাসময়ে বেতন-ভাতা না পেলে চিকিৎসকদের মনে কষ্ট লাগাটাই স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করা হয়।

​তবে আশার কথা হলো, ঈদগাঁও নতুন উপজেলা হওয়ায় এখানে এখনও অর্থনৈতিক বেতন কোড চালু হয়নি। এই উপজেলায় দ্রুত অর্থনৈতিক বেতন কোড চালু করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর অনেক আগেই আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এই কোড চালু হলেই নতুনভাবে পুনরায় স্থায়ী মেডিকেল অফিসার নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে এবং চিকিৎসকদের চলে যাওয়ার সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে।

​সীমাবদ্ধতা ও নানাবিধ সংকটের মাঝেও সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার এই নতুন প্রকল্প ঈদগাঁও উপজেলার বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তিতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও স্বাস্থ্য বিভাগ।