
পাঁচ রাউন্ড ফাঁকাগুলি করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। একটি গাছ বাগান দখল ও বৃক্ষরাজি লুটতরাজ করার উদ্দেশ্যে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে সন্ত্রাসীরা এই আতঙ্ক তৈরি করে। লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হায়দারনাশী ৬ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ হিন্দুপাড়ায় দু’দিন ধরে এই তান্ডব চালায় বলে জানাযায়।

এ ব্যপারে শুক্রবার রাতে লামা থানায় এজাহার দাখিল করেছেন ডেভিট কর্মকার নামের এক বাসিন্দা।
ডেভিট অভিযোগ করেন, ১৬ জুলাই সকাল ৯টায় সন্ত্রাসীরা তার স্ত্রী আলো রানী কর্মকারের নামীয় এক একর বিশ শতাংশ জায়গায় স্থীত বসত ঘর ভাঙচুর করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা ২১ টি বেলজিয়াম গাছ, যার বাজার মুল্য এক লক্ষ পাঁচ হাজার টাকা, ০৯ টি আম গাছ, বাজার মুল্য আঠারো হাজার টাকা, ৫০ টি বাইজ্যা বাঁশ পনের হাজার টাকাসহ এক লক্ষ আটত্রিশ হাজার টাকা মুল্যের গাছ বাঁশ কেটে পিকআপ গাড়ি যোগে নিয়ে যায়।

ওই সময় ডেভিট কর্মকারের বড় ভাই মৃদুল কর্মকার সন্ত্রাসীদেরকে বাঁধা দিলে, হত্যার হুমকি দিয়ে গাছ-বাঁশ নিয়ে চলে যায় সন্ত্রাসীরা। খবর ‘৯৯৯’ এ খবর পেয়ে লামা থানাধীন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নস্থ কুমারী পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পুলিশ টহল ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু তার আগেই সন্ত্রাসীরা চলে যায়।
পর দিন শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৩টার সময় সন্ত্রাসীরা পূণরায় ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে পরপর ০৫ (পাঁচ) রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। ওই সময় ডেভিডয়ের বড় ভাই- মৃদুল কর্মকারকে সন্ত্রাসীরা প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে সত্বর ওই জায়গা এবং ঘর বাড়ি ছেড়ে সেখান থেকে চলে যাবার, কঠোর হুশিয়ারী দেয়।
বিজ্ঞাপন

এ সময় বসত ঘরে প্রবেশ করে সন্ত্রাসীরা ১০ হাজার টাকা মুল্যের আসবাবপত্র ভাংচুর করে। চলে যাওয়ার সময় চিহ্নিত এসব সন্ত্রাসী দশ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাহিত চাঁদা না দিলে মৃদল কান্তি ও তার ভাই ডেভিড়কে হত্যা করে লাশ শুম করে ফেলার হুমকি দেয় বলে লামা থানায় দায়েরকৃত এজাহারে উল্লেখ করেন ডেভিড কর্মকার।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে; ১। মোঃ ইসমাইল (৫৫), ২। আক্তার হোসেন প্রকাশ- বাবুল (৪৫), ৩। নুরুল আবছার প্রকাশ লালু। (৪০), সর্ব পিতা- আব্দুর রহিম, ৪। রোজিনা আক্তার (৩৮), স্বামী- মালেক মিয়া, সর্ব সাং- পশ্চিম মাইজ পাড়া, ০৫নং ওয়ার্ড, ডুলাহাজারা, চকরিয়া, কক্সবাজার সহ অজ্ঞাত নামা আরো ১০/১৫ জন।
এই ব্যপারে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নস্থ কুমারী পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। ফাঁকা গুলি করে আতঙ্ক সৃষ্টির বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানান পুলিশ।
ট্রিবিউন ডেস্ক: 




















