Lama ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লামা ঘেঁষে চকরিয়া বমুবিলছড়িতে বালু খেকোদের ছোবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে না বৌদ্ধদের শ্মশানও : ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

চকরিয়া উপজেলার বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড ফাদুখোলা এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারকারী সিন্ডিকেট। তাদের ছোবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে না স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের শ্মশানের মাটিও।

সরেজমিনে দেখা যায়, শ্মশানের উপর দিন-রাত প্রকাশ্যে ড্রেজার(সেলু) মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

জানাযায়, ​রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে সক্রিয় রয়েছে এই বালুখেকো সিন্ডিকেট। ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক  সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন ও সাবেক ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি মো: করিমের নেতৃত্বে এক প্রভাবশালী চক্র বমুবিলছড়ির ফাদুখোলা এলাকায় প্রকাশ্যেই এ অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

​স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, চকরিয়া ও বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের কিছু রাজনৈতিক নেতার যোগসাজশ ও পরোক্ষ মদদে দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে চক্রটি। বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করলে বা উপজেলা প্রশাসন কিংবা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ জানানো হলে, দলীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হয়।

অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের বসতবাড়ি, ফসলি জমি এবং সরকারি গ্রামীণ রাস্তাঘাট ধসে চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ।

​পরিবেশ অধিদপ্তর ও চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় বালু সিন্ডিকেট এতোটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, কোনোভাবে তাদের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না বলে জানান স্থানীয়রা।

​এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ শাহীন দেলোয়ার জানান, “পরিবেশ ধ্বংসকারী ও অবৈধ বালু উত্তোলন-পাচারকারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশের ক্ষতি সাধনকারীদের কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি, সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে মহালছড়ির পূজামণ্ডপে জোন কমান্ডার

Bandarban Tribune

লামা ঘেঁষে চকরিয়া বমুবিলছড়িতে বালু খেকোদের ছোবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে না বৌদ্ধদের শ্মশানও : ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

Update Time : ০৬:২৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

চকরিয়া উপজেলার বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড ফাদুখোলা এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারকারী সিন্ডিকেট। তাদের ছোবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে না স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের শ্মশানের মাটিও।

সরেজমিনে দেখা যায়, শ্মশানের উপর দিন-রাত প্রকাশ্যে ড্রেজার(সেলু) মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

জানাযায়, ​রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে সক্রিয় রয়েছে এই বালুখেকো সিন্ডিকেট। ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক  সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন ও সাবেক ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি মো: করিমের নেতৃত্বে এক প্রভাবশালী চক্র বমুবিলছড়ির ফাদুখোলা এলাকায় প্রকাশ্যেই এ অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

​স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, চকরিয়া ও বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের কিছু রাজনৈতিক নেতার যোগসাজশ ও পরোক্ষ মদদে দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে চক্রটি। বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করলে বা উপজেলা প্রশাসন কিংবা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ জানানো হলে, দলীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হয়।

অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের বসতবাড়ি, ফসলি জমি এবং সরকারি গ্রামীণ রাস্তাঘাট ধসে চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ।

​পরিবেশ অধিদপ্তর ও চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় বালু সিন্ডিকেট এতোটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, কোনোভাবে তাদের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না বলে জানান স্থানীয়রা।

​এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ শাহীন দেলোয়ার জানান, “পরিবেশ ধ্বংসকারী ও অবৈধ বালু উত্তোলন-পাচারকারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশের ক্ষতি সাধনকারীদের কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”