Lama ১১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ধুলোমাখা বেঞ্চে পড়ে আছে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা

শিক্ষকদের বেতনসংকটে বন্ধ হয়ে গেল মিরিঞ্জা প্রাথমিক বিদ্যালয়

যে বিদ্যালয় একসময় শতাধিক শিক্ষার্থীর কোলাহলে মুখর থাকত, সেই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ এখন নীরব। ধুলোমাখা বেঞ্চে পড়ে আছে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা। দেয়ালে এখনো টাঙানো রয়েছে শিশুদের নানা স্মৃতি। দেখে মনে হয়, এই বুঝি আবার বই-খাতা হাতে ছুটে আসবে শিশুরা। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম।

বান্দরবানের লামা উপজেলার ২ নম্বর সদর ইউনিয়নের মিরিঞ্জা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র এটি। একসময় বিদ্যালয়টিতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত। শিক্ষক সংকট ও শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে আর্থিক সমস্যাসহ নানা সংকটে ধীরে ধীরে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ২০২৫ সালে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় শিক্ষা কার্যক্রম।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্যে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য আনোয়ার আলীর স্ত্রী জায়তুল নেছা জুতি প্রায় ৪০ শতক জমি দান করেন। পরে ২০০২ সালে লামা লাইনজিরি হুসেন স্যার, জায়তুল নেছা জুতি, নেজাম উদ্দিন ও মো. জিয়াবুলের উদ্যোগে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্থানীয় কয়েকটি পাড়ার শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি হয় এ বিদ্যালয়ে। দূরবর্তী এলাকায় অন্য বিদ্যালয়ে যাতায়াতের অসুবিধার কারণে অনেক শিশুর জন্য মিরিঞ্জা বিদ্যালয়টিই ছিল শিক্ষার অন্যতম ভরসা। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য।

তবে সময়ের সঙ্গে বিদ্যালয়টি আর্থিক সংকটে পড়ে। স্থানীয়দের ভাষ্য, শিক্ষকদের মাসিক বেতন হিসেবে মাত্র দুই হাজার টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও সেটিও নিয়মিত পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছিল না। এতে শিক্ষক ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হতে থাকে।

পরে জাগো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিদ্যালয়টিতে একজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। এতে কিছুটা সময় শিক্ষা কার্যক্রম চালু থাকলেও স্থায়ীভাবে শিক্ষক সংকটের সমাধান হয়নি। শেষ পর্যন্ত শিক্ষক সংকট ও আর্থিক সমস্যার কারণে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষগুলো অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। কোথাও ধুলো জমেছে বেঞ্চে, কোথাও পড়ে আছে পুরোনো বই-খাতা। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত বই-খাতাও এখনো শ্রেণিকক্ষে পড়ে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতিতে পুরো বিদ্যালয়জুড়ে নেমে এসেছে নীরবতা।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্গম এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যেসব পাড়া থেকে দূরের বিদ্যালয়ে যাতায়াত করা কঠিন, সেসব এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য সমস্যাটি আরও বেশি। ফলে বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করা গেলে স্থানীয় শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।

বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরাও দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, একটি বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব শুধু বর্তমান শিক্ষার্থীদের ওপর পড়ে না; এর প্রভাব পড়ে পুরো এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর।

বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি চাকনাই ম্রো বলেন, প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকে বিদ্যালয়টি ছিল প্রাণবন্ত। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে নিয়মিত পাঠদান হতো। পড়াশোনার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ফলাফলও ভালো ছিল। এ বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে লাংরি ম্রো, ইয়ুংনম ম্রো, কুংলাই ম্রো ও সাকরই ম্রোসহ কয়েকজন বর্তমানে সেনাবাহিনী ও পুলিশে কর্মরত রয়েছেন। এছাড়া কেউ কেউ আনসার বাহিনীতেও কর্মরত আছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

৩ নম্বর ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. জিয়াবুল বলেন, মিরিঞ্জাসহ আশপাশের দুর্গম এলাকার শিশুদের জন্য বিদ্যালয়টির গুরুত্ব রয়েছে। বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে এলাকার শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে এবং নিরক্ষরতা কমাতে ভূমিকা রাখবে।

লামা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, বিদ্যালয়টি প্রায় তিন বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। তাঁর মতে, বিদ্যালয়টি পরিচালনার জন্য কার্যকর ও দায়িত্বশীল উদ্যোক্তার অভাবই বন্ধ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। তিনি আরও বলেন, সরকারি সহায়তা বা প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়ে এ পর্যন্ত কেউ উপজেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করেননি।

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে দীর্ঘদিন ধরে নীরব পড়ে থাকা শ্রেণিকক্ষগুলো। বই-খাতা হাতে ফিরে আসতে পারে শিশুরা, আবারও মুখর হয়ে উঠতে পারে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে বিদ্যালয়টি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

লামা ফাইতং ইউনিয়নে প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান

Bandarban Tribune

ধুলোমাখা বেঞ্চে পড়ে আছে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা

শিক্ষকদের বেতনসংকটে বন্ধ হয়ে গেল মিরিঞ্জা প্রাথমিক বিদ্যালয়

Update Time : ১০:২২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

যে বিদ্যালয় একসময় শতাধিক শিক্ষার্থীর কোলাহলে মুখর থাকত, সেই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ এখন নীরব। ধুলোমাখা বেঞ্চে পড়ে আছে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা। দেয়ালে এখনো টাঙানো রয়েছে শিশুদের নানা স্মৃতি। দেখে মনে হয়, এই বুঝি আবার বই-খাতা হাতে ছুটে আসবে শিশুরা। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম।

বান্দরবানের লামা উপজেলার ২ নম্বর সদর ইউনিয়নের মিরিঞ্জা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র এটি। একসময় বিদ্যালয়টিতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত। শিক্ষক সংকট ও শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে আর্থিক সমস্যাসহ নানা সংকটে ধীরে ধীরে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ২০২৫ সালে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় শিক্ষা কার্যক্রম।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্যে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য আনোয়ার আলীর স্ত্রী জায়তুল নেছা জুতি প্রায় ৪০ শতক জমি দান করেন। পরে ২০০২ সালে লামা লাইনজিরি হুসেন স্যার, জায়তুল নেছা জুতি, নেজাম উদ্দিন ও মো. জিয়াবুলের উদ্যোগে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্থানীয় কয়েকটি পাড়ার শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি হয় এ বিদ্যালয়ে। দূরবর্তী এলাকায় অন্য বিদ্যালয়ে যাতায়াতের অসুবিধার কারণে অনেক শিশুর জন্য মিরিঞ্জা বিদ্যালয়টিই ছিল শিক্ষার অন্যতম ভরসা। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য।

তবে সময়ের সঙ্গে বিদ্যালয়টি আর্থিক সংকটে পড়ে। স্থানীয়দের ভাষ্য, শিক্ষকদের মাসিক বেতন হিসেবে মাত্র দুই হাজার টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও সেটিও নিয়মিত পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছিল না। এতে শিক্ষক ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হতে থাকে।

পরে জাগো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিদ্যালয়টিতে একজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। এতে কিছুটা সময় শিক্ষা কার্যক্রম চালু থাকলেও স্থায়ীভাবে শিক্ষক সংকটের সমাধান হয়নি। শেষ পর্যন্ত শিক্ষক সংকট ও আর্থিক সমস্যার কারণে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষগুলো অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। কোথাও ধুলো জমেছে বেঞ্চে, কোথাও পড়ে আছে পুরোনো বই-খাতা। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত বই-খাতাও এখনো শ্রেণিকক্ষে পড়ে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতিতে পুরো বিদ্যালয়জুড়ে নেমে এসেছে নীরবতা।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্গম এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যেসব পাড়া থেকে দূরের বিদ্যালয়ে যাতায়াত করা কঠিন, সেসব এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য সমস্যাটি আরও বেশি। ফলে বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করা গেলে স্থানীয় শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।

বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরাও দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, একটি বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব শুধু বর্তমান শিক্ষার্থীদের ওপর পড়ে না; এর প্রভাব পড়ে পুরো এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর।

বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি চাকনাই ম্রো বলেন, প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকে বিদ্যালয়টি ছিল প্রাণবন্ত। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে নিয়মিত পাঠদান হতো। পড়াশোনার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ফলাফলও ভালো ছিল। এ বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে লাংরি ম্রো, ইয়ুংনম ম্রো, কুংলাই ম্রো ও সাকরই ম্রোসহ কয়েকজন বর্তমানে সেনাবাহিনী ও পুলিশে কর্মরত রয়েছেন। এছাড়া কেউ কেউ আনসার বাহিনীতেও কর্মরত আছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

৩ নম্বর ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. জিয়াবুল বলেন, মিরিঞ্জাসহ আশপাশের দুর্গম এলাকার শিশুদের জন্য বিদ্যালয়টির গুরুত্ব রয়েছে। বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে এলাকার শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে এবং নিরক্ষরতা কমাতে ভূমিকা রাখবে।

লামা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, বিদ্যালয়টি প্রায় তিন বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। তাঁর মতে, বিদ্যালয়টি পরিচালনার জন্য কার্যকর ও দায়িত্বশীল উদ্যোক্তার অভাবই বন্ধ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। তিনি আরও বলেন, সরকারি সহায়তা বা প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়ে এ পর্যন্ত কেউ উপজেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করেননি।

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে দীর্ঘদিন ধরে নীরব পড়ে থাকা শ্রেণিকক্ষগুলো। বই-খাতা হাতে ফিরে আসতে পারে শিশুরা, আবারও মুখর হয়ে উঠতে পারে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে বিদ্যালয়টি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেবে।