Lama ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পানছড়িতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিজিবির ড্রোন নজরদারি ও সার্বক্ষণিক টহল

শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি ও সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদযাপনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম, পিপিএম (সেবা)।

পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ও সনাতন ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করেন। এ সময় পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। পাশাপাশি দুর্গাপূজা উৎসবমুখর, নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, পূজাকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বিজিবি শুধু সীমান্ত সুরক্ষায় নয়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সময় জাতি, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সবাইকে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতির সম্পর্ক সুদৃঢ় করে শান্তিপূর্ণ ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনে তাদের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

লামায় দৈনিক ‘কালবেলা’র চতুর্থ বার্ষিকী পালন

Bandarban Tribune

পানছড়িতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিজিবির ড্রোন নজরদারি ও সার্বক্ষণিক টহল

Update Time : ০৩:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি ও সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদযাপনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম, পিপিএম (সেবা)।

পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ও সনাতন ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করেন। এ সময় পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। পাশাপাশি দুর্গাপূজা উৎসবমুখর, নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, পূজাকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বিজিবি শুধু সীমান্ত সুরক্ষায় নয়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সময় জাতি, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সবাইকে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতির সম্পর্ক সুদৃঢ় করে শান্তিপূর্ণ ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনে তাদের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।