
ইশরাক হোসেনের পিতা সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন বিএনপির ইতিহাসের সবথেকে প্রভাবশালী নেতাদের একজন।
ছাত্র ইউনিয়ন থেকে ইউপিপি, এরপর ন্যাপ ভাসানী হয়ে ১৯৮৪ সালে বিএনপি, খোকা এতই জনপ্রিয় ছিল যে যখন চারিদিকে রব উঠেছে হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হবে, তখন হাসিনাকে ইলেকশনে হারায়!
২০০২ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয় খোকা। ২০০১-০৬ সালের জোট সরকারের মন্ত্রীও ছিল সে।
মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরও মন্ত্রীত্ব ছাড়েনি খোকা। ২০০৪ সাল পর্যন্ত একইসাথে মেয়র ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
২০০৭ সালে মেয়র ইলেকশন হওয়ার কথা থাকলেও হয় না। ফলে খোকা চেয়ার ধরে রাখে।
ওয়ান ইলেভেনের সময় নানা সমস্যা, মামলা, হাসিনার সরকার গঠন, এসবকিছুর মধ্যে খোকা নিজের জায়গায় স্ট্রং ছিল। ২০১১ সাল পর্যন্ত মেয়রের পদ ধরে রাখে।
পরে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে দ্বিখণ্ডিত করে এরপরেই খোকাকে সরায় হাসিনা।

এর মধ্যে আরো কাহিনী আছে। ঢাকায় বিএনপির ৩ টা গ্রুপ ছিল। একটার লিডার ছিল খোকা, আরেকটার লিডার ছিল মির্জা আব্বাস, আরেকটা লিডার না থাকলেও বহু জন মিলে চলত।
খোকা এতটাই পাওয়ারফুল হয়ে গেছিল যে বিএনপির অন্য নেতারাই একসময় তার বিরুদ্ধে নামে। কিন্তু তার চুলটাও বাঁকা করতে পারে না!
ওইসময়ের বিএনপি নেতাদের সাক্ষাৎকার, বক্তব্য শুনলে এবিষয়ে বহু তথ্য পাবেন। সাকা চৌধুরীরা সরাসরি চেষ্টা করেছে। পারেনি।
সেই খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন। সেও বাবার মতো এমপি, প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পরও ঘোষণা দেয় দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে মেয়র ইলেকশন করবে।
আজ তারেক রহমান তাকে মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করতে বললো। পিস্তল নিয়ে শোডাউনের জন্য।
তবে এখনো যে অবস্থা, তাতে ঢাকার মধ্যে সবথেকে পাওয়ারফুল নেতাদের একজন ইশরাক হোসেন। মন্ত্রী থাকুক বা না থাকুক, হি উইল বি দেয়ার, অ্যাজ দ্য সাকসেসর অব সাদেক হোসেন খোকা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন; ইশরাক হোসেনকে শোধরানোর সুযোগ দিন।
বান্দরবান ট্রিবিউন ডেস্ক: 



















