
লামা উপজেলা ফাইতং মৌজায় আদালতের বিচারাধীন (বিরোধীয়) জায়গা থেকে বাদীর অনুপস্থিতিতে বিবাদী কর্তৃক দেড় লাখ টাকা সমমুল্যের বাঁশ চুরির অভিযোগ।

আজিজনগরের স্থানীয় বাসিন্দা বাদী জাবের হোসেন এর অভিযোগে প্রকাশ, ৩০৬ নং ফাইতং মৌজায় তার ক্রযকৃত ও ভোগদখলীয় সাড়ে চার একর জায়গায় সৃজিত বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও বাঁশ বাগান রয়েছে। জানাযায়, দীর্ঘদিন ধরে বিবাদী সেখানকার স্থানীয় চিউরতলী মোল্লার ঝিরির বাসিন্দা আবুল কাশেম গং ভূয়া একটি দলিল বানিয়ে ওই জায়গাটি জবর দখল করার উদ্দেশ্যে গাছ-বাঁশ চুরি করে কেটে নিচ্ছে।
জায়গার মালিক বাদি জাবের হোসেন বাঁধা দিলে কাশেম গং সন্ত্রাসী হামলা কয়েক দফা জাবের উপর হামলা চালায়। এছাড়াও কাশেম গং ভূয়া একটি বায়নানামা দলিল বানিয়ে জমির মালিকানা দাবি করে উল্টো জায়গার প্রকৃত মালিক জাবের হোসেনের বিরুদ্ধে বিগত ২০২৩ সালে বিজ্ঞ আদালতে সিআর মামলা নং-৫৯/২০২৩ দায়ের করান।

অপরদিকে ওই মামলায় আনিত অভিযোগ মিথ্যা বলে চ্যালেঞ্জ করে জাবের হোসেন পাল্টা একটি সিআর মামলা নং- ১৯৯/২০২৪ রুজু করেন। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে জাবের হোসেনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে, আবুল কাশেম গংয়ের জালজালিয়াতি প্রকাশ পায় এবং ওই মামলায় আবুল কাশেম গংয়ের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারী হয়। পরে জাবের হোসেনর জায়গা ছেড়ে দিবার শর্তে কোর্ট থেকে জামিন লাভ করে আবুল কাশেম গং।

বিরোধীয় জায়গা নিয়ে করা উভয়ের মামলা হালনাগাদ চলমান। এদিকে জায়গার মালিক জাবের হোসেন গত ১০ আগস্ট তবলীগ জামায়ে ৪০ দিনের জন্য বের হন। তবলীগ জামাতে ময়মনসিংহ নান্দাইল উপজেলায় অবস্থানকালে ২২ আগস্ট জাবের হোসেন স্থানীয় একজনের মুঠোফোনে জানতে পারেন, আবুল কাশেম গং তার(মামলায় বিচারাধীন) জায়গা থেকে চুরি করে আনুমানিক সাড়ে সাত হাজার বাঁশ কর্তন করে নিয়ে যায়।
এর মধ্যে তিন গাড়ি বিক্রি করে দেয়। খবর পেয়ে জাবেরের স্বজনরা আজিজনগরের সোলেমান বাজার এলাকা থেকে আরো এক গাড়ি বাঁশ আটকিয়ে আনলোড করে রাস্তার পাশে রেখে দেন। এসব খবরে দুশ্চিন্তায় পড়ে তগলিগ জামাতে জাবের হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়লে ১ সেপ্টেম্বর ২১ দিনের মাথায় তবলীগ জামায়াতের সাথীরা তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেন।

প্রসঙ্গত: জাবের হোসেন একজন ওপেন হার্ট সার্জারীর রোগী।
এর মধ্যে বিষয়টি আজিজনগর পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জকে অভিযোগ আকারে জানানো হয়। কিন্তু আবুল কাশেম এর এক ছেলে পুলিশ সদস্য হওয়ায়, ফাঁড়ি ইনচার্জ তারদ্বারা প্রভাবিত হয়ে জাবেরের অভিযোগের কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে থানা কোর্টে আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেয়।
এদিকে অসুস্থ শরীর নিয়ে জাবের হোসেন ন্যায় বিচারের আশায় উপজেলা সদরে এসে সাংবাদিকদের কাছে তার দুর্দশার কথা জানান।
এ বিষয়ে জাবের হোসেন ৬ সেপ্টেম্বর সন্দ্যায় লামা থানায় অভিযোগ করেন। অফিসার ইনচার্জ মো: কাইছার হামিদ অভিযোগ তদন্তে আজিজনগর ফাঁড়ির একজন সাব ইন্সপেক্টরকে দায়িত্ব দেন। ওসি বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে।
নিজস্ব সংবাদদাতা: 



















