Lama ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পাহাড়ে উপজাতিদের বড় একটি অংশ আদিবাসী স্বীকৃতির দাবির অন্তরালে দেশ ভাগের ষড়যন্ত্র করতেছে:

প্রতিবাদে ঢাকায় পার্বত চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ

পার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা, আয়করসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উপজাতি ও বাঙালিদের জন্য অভিন্ন নীতি গ্রহণ, বৈষম্য দূর করে সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতির দাবির অন্তরালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।  সমাবেশের আয়োজন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ।

সমাবেশ প্রধান অতিথি ছিলেন পিসিএনপির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সব জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার ও নাগরিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা, আয়কর, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কাঠামোসহ সব ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবি জানান।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় ছাত্র পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি আসিফ ইকবাল শিক্ষা, চাকরি ও ব্যবসার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবি জানান। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সব নাগরিকের জন্য শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগে সমতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নারীদের প্রতি বৈষম্য দূর করা এবং নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দাবি জানান বক্তারা। তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের নারীদের শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

চট্টগ্রাম মহানগর নাগরিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এম. এ. আমিন পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন। তিনি বলেন, যেকোনো হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

বাংলাদেশ মঞ্চের সভাপতি শাহাদাত ফরাজি সাকিব পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান। তিনি বলেন, স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে নিয়মিত নির্বাচন প্রয়োজন।

সাংবাদিক, লেখক, গবেষক ও কলামিস্ট এএইচএম ফারুক পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন এবং অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

খাগড়াছড়ি জেলা নাগরিক পরিষদের সভাপতি আবদুল মজিদ প্রত্যাহার করা সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন এবং সীমান্ত সড়ক নির্মাণের দাবি জানান। তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং দুর্গম এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।

বান্দরবান জেলা নাগরিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দীন বাজারফান্ড এলাকায় বন্ধ থাকা ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি জানান। তিনি বলেন, ঋণ সুবিধা বন্ধ থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

কেন্দ্রীয় নাগরিক পরিষদের সহ-সভাপতি এম. রুহুল আমিন পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি অঞ্চলের সব মানুষের মানবাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বান্দরবান জেলা নাগরিক পরিষদের সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আয়করের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবি জানান। তিনি বলেন, কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও সমতা নিশ্চিত করতে হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আহমেদ রাজু ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি বাতিলের দাবি জানান। তিনি বলেন, বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রশাসনিক ও আইনগত কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ লিগ্যাল এইড কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট পারভেজ তালুকদার বিতর্কিত ভূমি কমিশন বাতিল এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় কার্যকর নীতি গ্রহণের দাবি জানান। তিনি বলেন, ভূমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ নিরসনে স্বচ্ছ ও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ফয়েজ আহমেদ নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবি জানান। তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সব জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সমাবেশ থেকে বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সব জনগোষ্ঠীর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূরীকরণ এবং রাষ্ট্রীয় নীতিতে অভিন্নতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সব জনগোষ্ঠীর জন্য সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা, আয়করসহ রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে অভিন্ন নীতি গ্রহণের দাবি জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে কোনো জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে নয়, বরং সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করেই নীতি গ্রহণ করতে হবে। সমাবেশে বক্তারা বিভিন্ন বিষয়ে তাদের দাবি ও মতামত তুলে ধরেন।

[সূত্র: যায়যায়দিন অনলাইন]

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

বাঘাইছড়িতে সৈয়দ নুর মোহাম্মদ শাহ্ (রহ:)-এর ২৬তম ওফাত বার্ষিকী উপলক্ষে ওরশ মোবারক

Bandarban Tribune

পাহাড়ে উপজাতিদের বড় একটি অংশ আদিবাসী স্বীকৃতির দাবির অন্তরালে দেশ ভাগের ষড়যন্ত্র করতেছে:

প্রতিবাদে ঢাকায় পার্বত চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ

Update Time : ০৭:৩৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা, আয়করসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উপজাতি ও বাঙালিদের জন্য অভিন্ন নীতি গ্রহণ, বৈষম্য দূর করে সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতির দাবির অন্তরালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।  সমাবেশের আয়োজন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ।

সমাবেশ প্রধান অতিথি ছিলেন পিসিএনপির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সব জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার ও নাগরিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা, আয়কর, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কাঠামোসহ সব ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবি জানান।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় ছাত্র পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি আসিফ ইকবাল শিক্ষা, চাকরি ও ব্যবসার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবি জানান। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সব নাগরিকের জন্য শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগে সমতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নারীদের প্রতি বৈষম্য দূর করা এবং নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দাবি জানান বক্তারা। তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের নারীদের শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

চট্টগ্রাম মহানগর নাগরিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এম. এ. আমিন পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন। তিনি বলেন, যেকোনো হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

বাংলাদেশ মঞ্চের সভাপতি শাহাদাত ফরাজি সাকিব পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান। তিনি বলেন, স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে নিয়মিত নির্বাচন প্রয়োজন।

সাংবাদিক, লেখক, গবেষক ও কলামিস্ট এএইচএম ফারুক পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন এবং অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

খাগড়াছড়ি জেলা নাগরিক পরিষদের সভাপতি আবদুল মজিদ প্রত্যাহার করা সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন এবং সীমান্ত সড়ক নির্মাণের দাবি জানান। তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং দুর্গম এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।

বান্দরবান জেলা নাগরিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দীন বাজারফান্ড এলাকায় বন্ধ থাকা ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি জানান। তিনি বলেন, ঋণ সুবিধা বন্ধ থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

কেন্দ্রীয় নাগরিক পরিষদের সহ-সভাপতি এম. রুহুল আমিন পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি অঞ্চলের সব মানুষের মানবাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বান্দরবান জেলা নাগরিক পরিষদের সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আয়করের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবি জানান। তিনি বলেন, কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও সমতা নিশ্চিত করতে হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আহমেদ রাজু ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি বাতিলের দাবি জানান। তিনি বলেন, বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রশাসনিক ও আইনগত কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ লিগ্যাল এইড কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট পারভেজ তালুকদার বিতর্কিত ভূমি কমিশন বাতিল এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় কার্যকর নীতি গ্রহণের দাবি জানান। তিনি বলেন, ভূমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ নিরসনে স্বচ্ছ ও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ফয়েজ আহমেদ নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবি জানান। তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সব জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সমাবেশ থেকে বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সব জনগোষ্ঠীর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূরীকরণ এবং রাষ্ট্রীয় নীতিতে অভিন্নতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সব জনগোষ্ঠীর জন্য সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা, আয়করসহ রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে অভিন্ন নীতি গ্রহণের দাবি জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে কোনো জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে নয়, বরং সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করেই নীতি গ্রহণ করতে হবে। সমাবেশে বক্তারা বিভিন্ন বিষয়ে তাদের দাবি ও মতামত তুলে ধরেন।

[সূত্র: যায়যায়দিন অনলাইন]