Lama ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ মিলিটারি স্বল্প খরচে ড্রোন তৈরি করছেন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ২৩ Time View

মাত্র কয়েকশো ডলারের কামিকাজে ড্রোন দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিংবা রাশিয়ার মতো দেশকে ইরান ও ইউক্রেন যেভাবে পর্যুদস্ত করেছে, তা ছোট অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও এবার সেই একই পথে হাঁটছে।

বিজ্ঞাপন 

অলরেডি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তুরস্কের সহযোগিতায় বগুড়ায় সাধারণ অ্যাটাক ড্রোন বা হামলা করে ফিরে আসতে পারে এমন ড্রোন কারখানা নির্মাণ করতে যাচ্ছে।

আর এবার তুরস্ক সাথে যৌথ ভাবে কামিকাজে ড্রোন উৎপাদনে আলোচনা চলছে। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সাম্প্রতিক তুরস্ক এ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশের মতো ছোট অর্থনীতির সাথে ভারতের মতো বৃহৎ প্রতিবেশীর কোনো কারণে যুদ্ধ শুরু হলে, সেই যুদ্ধে টিকে থাকার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হতে পারে কম খরচের এই কামিকাজে ড্রোন।

এগুলো শত্রুপক্ষের বিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র ধ্বংস করার পাশাপাশি লুকিয়ে থাকা সৈনিকদের খুঁজে খুঁজে নিখুঁতভাবে হামলায় অত্যন্ত দক্ষ, যা পদাতিক বাহিনীর যেকোনো মিশনে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে কাজ করে।

সেনাবাহিনীর উচিত তুরস্কের সাথে যৌথ ভাবে সাধারণ ড্রোন উৎপাদনের পাশাপাশি দ্রুত কামাকাজি ড্রোন নিয়ে কাজ শুধু করা।

সূত্র: অনলাইন অবলম্বনে

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

বাঘাইছড়িতে সৈয়দ নুর মোহাম্মদ শাহ্ (রহ:)-এর ২৬তম ওফাত বার্ষিকী উপলক্ষে ওরশ মোবারক

Bandarban Tribune

বাংলাদেশ মিলিটারি স্বল্প খরচে ড্রোন তৈরি করছেন

Update Time : ০৯:২১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মাত্র কয়েকশো ডলারের কামিকাজে ড্রোন দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিংবা রাশিয়ার মতো দেশকে ইরান ও ইউক্রেন যেভাবে পর্যুদস্ত করেছে, তা ছোট অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও এবার সেই একই পথে হাঁটছে।

বিজ্ঞাপন 

অলরেডি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তুরস্কের সহযোগিতায় বগুড়ায় সাধারণ অ্যাটাক ড্রোন বা হামলা করে ফিরে আসতে পারে এমন ড্রোন কারখানা নির্মাণ করতে যাচ্ছে।

আর এবার তুরস্ক সাথে যৌথ ভাবে কামিকাজে ড্রোন উৎপাদনে আলোচনা চলছে। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সাম্প্রতিক তুরস্ক এ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশের মতো ছোট অর্থনীতির সাথে ভারতের মতো বৃহৎ প্রতিবেশীর কোনো কারণে যুদ্ধ শুরু হলে, সেই যুদ্ধে টিকে থাকার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হতে পারে কম খরচের এই কামিকাজে ড্রোন।

এগুলো শত্রুপক্ষের বিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র ধ্বংস করার পাশাপাশি লুকিয়ে থাকা সৈনিকদের খুঁজে খুঁজে নিখুঁতভাবে হামলায় অত্যন্ত দক্ষ, যা পদাতিক বাহিনীর যেকোনো মিশনে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে কাজ করে।

সেনাবাহিনীর উচিত তুরস্কের সাথে যৌথ ভাবে সাধারণ ড্রোন উৎপাদনের পাশাপাশি দ্রুত কামাকাজি ড্রোন নিয়ে কাজ শুধু করা।

সূত্র: অনলাইন অবলম্বনে