
সংবাদদাতা:-
প্রেমের কোনো ভৌগলিক সীমারেখা থাকেনা, মানেনা জাত ভেদ। সেই প্রেমের টানে বাংলাদেশের পাহাড়ি পল্লীতে ছুটে আসেন চীনা যুবক সাহ্লা।
বিজ্ঞাপন

ভালোবাসার টানে চীন থেকে রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলীতে ছুটে এসেছেন এই চীনা নাগরিক Xla(৩২)। উদ্দেশ্য প্রিয়তমা স্ত্রী খইসিংপ্রু মারমা(৩০) পিত্রালয়ে বেড়াবেন।
বুহস্পতিবার (২৫ জুন) রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী ১ নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের মহাজনর পাড়ার মংমিঅং মারমার মেয়ে খইসিংপ্রু এর সাথে তিন বছর আগে চীনের প্রদেশের নাগরিক xla এর বিয়ে হয়। তিন বছরের দাম্পত্য জীবনে তারা বেশ সুখে আছেন।
এদিকে চীনা যুবকের আগমনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। বিদেশি নাগরিককে দেখতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ খইসিংপ্রু মার্মার বাড়িতে ভিড় করে।
বিজ্ঞাপন

তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ওয়ার্ল্ড টক’-এর মাধ্যমে উভয়ের পরিচয় হয়। প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে সেই সম্পর্ক প্রেমে রূপ নেয়। দীর্ঘ ৩ বছর আগে তাদের বিবাহ হয়। বিবাহের পর খইসিংপ্রু চীনে চলে যান। তারা বর্তমানে চীনে বসবাস করেন। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কণ্যা সন্তান রয়েছে। বিবাহের পর এ প্রথম চীনা নাগরিক স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে দুর্গম পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলায় শশুর বাড়ীতে বেড়াতে আসেন।
Xla বলেন, “আমি খইসিংপ্রু কে ভালোবাসি। তাকে বিয়ে করে সুখে-শান্তিতে সংসার করে আসছি। বাংলাদেশে এসে তার পরিবারের কাছ থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি।”
মার্মা যুবতি খইসিংপ্রু বলেন, ‘অনলাইনে পরিচয়ের পর ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে ভালো বাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমরা দুইজন সিদ্ধান্ত নিয়েছি একসাথে থাকব। আমি কখনও কল্পনা করিনি, সাহ্লা এদেশে আসবে। আমি চাই তাকে নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস আছি ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, খইসিংপ্রু পছন্দ করে চীনা যুবক কে বিবাহ করেছে। আমাদের কোন আপত্তি নেই। তারা সুখে তাকলে আমরা সুখি।”
রাজস্থলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদ হোসেন বলেন, ‘চীনা নাগরিক, উভয়ে দেখা করেছে। চীনা নাগরিক তার একটি পাসপোর্ট প্রদর্শন করেছেন। চীনা যুবক এখন ওই মেয়ের বাড়িতেই আছে।’
Reporter Name 



















