Lama ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসে অবদান, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সম্মাননা পেলেন মিরসরাইয়ের উম্মে হাবিবা

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পেয়েছেন চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার হাইতকান্দি ইউনিয়নের ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ডেপুটি টিম লিডার উম্মে হাবিবা আক্তার চৌধুরী। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি মেডেল ও নগদ অনুদান লাভ করেন।

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও দুর্যোগসহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির পরিচালক, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিপিপির কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবীরা।

উম্মে হাবিবা আক্তার চৌধুরী ১৯৯২ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দুর্যোগকালীন প্রস্তুতি, স্বেচ্ছাসেবীদের প্রশিক্ষণ এবং দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাসে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আসছেন। এসব কার্যক্রমে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি মিরসরাই উপজেলা থেকে সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হন।

উম্মে হাবিবা আক্তার চৌধুরী মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের সাবেক সেক্রেটারি আবদুল আউয়াল চৌধুরীর সহধর্মিণী।

সিপিপি স্বেচ্ছাসেবীরা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা প্রচার, মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করা এবং দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে এ কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত থেকে উম্মে হাবিবা আক্তার চৌধুরীর সম্মাননা অর্জন মিরসরাইয়ের দুর্যোগ প্রস্তুতি কার্যক্রমে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবীদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো শঙ্কা নেই: ডিএমপি

Bandarban Tribune

দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসে অবদান, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সম্মাননা পেলেন মিরসরাইয়ের উম্মে হাবিবা

Update Time : ০৯:০১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পেয়েছেন চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার হাইতকান্দি ইউনিয়নের ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ডেপুটি টিম লিডার উম্মে হাবিবা আক্তার চৌধুরী। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি মেডেল ও নগদ অনুদান লাভ করেন।

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও দুর্যোগসহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির পরিচালক, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিপিপির কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবীরা।

উম্মে হাবিবা আক্তার চৌধুরী ১৯৯২ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দুর্যোগকালীন প্রস্তুতি, স্বেচ্ছাসেবীদের প্রশিক্ষণ এবং দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাসে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আসছেন। এসব কার্যক্রমে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি মিরসরাই উপজেলা থেকে সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হন।

উম্মে হাবিবা আক্তার চৌধুরী মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের সাবেক সেক্রেটারি আবদুল আউয়াল চৌধুরীর সহধর্মিণী।

সিপিপি স্বেচ্ছাসেবীরা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা প্রচার, মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করা এবং দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে এ কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত থেকে উম্মে হাবিবা আক্তার চৌধুরীর সম্মাননা অর্জন মিরসরাইয়ের দুর্যোগ প্রস্তুতি কার্যক্রমে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবীদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।