
বান্দরবানের থানচি উপজেলার লিটক্রে সীমান্ত সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঠিকাদারের একটি জিপ উল্টে ঢাকা- ঘ – ০২-২৯৩৪ নংম্বারে গাড়ির চালক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় জিপে থাকা তিন ঠিকাদার গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে লিটক্রে সড়কের রেমংপাড়া ক্যাম্প থেকে থানচি সদরে ফেরার পথে ১১ কিলোমিটার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত জিপচালক মো. দেরাজ মিঞা (৫৬) চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার দক্ষিণ ডলুর কুল গ্রামের কবির আহমদের ছেলে।
আহতরা হলেন; কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার বজল কবিরের ছেলে মোঃ মিজান (৪২), একই উপজেলার ফাঁসিয়াখালী গ্রামের মোঃ কায়েস (৪০) এবং চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার ঠিকাদার আবদুর রহিম (৫৫)।
স্থানীয়দের সহায়তায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে নিহত চালক ও আহতদের উদ্ধার করে থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঠিকাদার আবদুর রহিম বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ১৭ ইসিবির অধীনে থানচি-লিটক্রে সড়কে স্থানীয়ভাবে পাথর ও বালু সরবরাহ এবং সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ করে আসছেন। রোববার সকালে রেমংপাড়া ক্যাম্পের আশপাশের কাজের স্থান পরিদর্শন শেষে থানচি সদরে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন।
এ সময় তাঁর ব্যক্তিগত জিপের চালক ঘটনাস্থলেই মারা যান।
থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হাসিবুল হোসেন বলেন, আহত তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের আঘাত সামান্য।
অপর একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। জিপচালক ঘটনাস্থলেই মারা যান।
থানচি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা রহিদুল রহমান মৃধা বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে লিটক্রে সড়কে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জিপচালক ও আহতদের উদ্ধার করা হয়েছে।

থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও থানচি থানা পুলিশের সদস্যরা সমন্বিতভাবে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
থানচি (বান্দরবান) সংবাদদাতা: 



















