
লামা প্রেসক্লাবকে ঘিরে একটি স্বার্থান্বেষী ও প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের নেপথ্য অপতৎপরতার খবর প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। নিজেদের নানা অনিয়ম ও অপকর্ম ধামাচাপা দিতেই মূলত এই ষড়যন্ত্রের জাল বোনা হচ্ছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।
২৪ জুলাই-পরবর্তী সময়ে জনপ্রতিনিধি শূন্যতার সুযোগ নিয়ে দায়িত্বে থাকা একশ্রেণীর ব্যক্তি সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তাদের তৈরি করা নিত্যনতুন নিয়মের কারণে স্থানীয় পরিবেশ ও মাটি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। একই সাথে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থের পাহাড় গড়ে তোলার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
একাধিক পদে আসীন এসব সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের নির্লিপ্ততা ও মদদের কারণে সমাজে ‘মব কালচার’ বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। জনপ্রতিনিধিহীন সমাজে অরাজকতার সুযোগ নিয়ে তারা কেবল নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে চলেছে।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, দুর্নীতিবাজরা বুঝতে পেরেছে যে তাদের অপকর্ম ও অনিয়মের সার্বিক চিত্র স্থানীয় সাংবাদিকদের সংগৃহীত খতিয়ানে সংরক্ষিত রয়েছে। সেই আশঙ্ক থেকেই তারা নিজেদের রক্ষা করতে তৎপর হয়ে উঠেছে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং অপকর্মের তথ্য গোপন রাখতে তারা গুটিকয়েক নামধারী ও পথভ্রষ্ট ব্যক্তির গায়ে ‘সাংবাদিকতার’ তকমা এঁটে এক নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে।
তবে চক্রান্তকারীদের এই নেপথ্য ষড়যন্ত্রের মূল নায়কদের পরিচয় এখন আর আড়ালে নেই; ধীরে ধীরে তাদের আসল চেহারা জনসমক্ষে উন্মোচিত হচ্ছে। মুলধারার সাংবাদিকরা বিগত দু’বছরের বিভিন্ন কর্মকান্ডের অনুসন্ধান শেষ করেছে। এখন ধারাবাহিক খতিয়ান প্রকাশের অপেক্ষায়।
চলবে….
মোঃ ইউছুপ আলী শাহরাজ: 









