Lama ০২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে মালদ্বীপের স্পিকারের সাক্ষাৎ: সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব

সংসদীয় কূটনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, দুই দেশের সংসদের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার এবং বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ। মঙ্গলবার ( ২৭ অক্টোবর) মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপের পার্লামেন্ট পিপলস মজলিসের স্পিকার আবদুল রহিম আবদুল্লাহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে দুই দেশের সংসদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় মালদ্বীপের পিপলস মজলিসে একটি বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ (Bangladesh–Maldives Parliamentary Friendship Group) গঠনের প্রস্তাব। দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতার একটি সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। স্পিকার প্রস্তাবটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এটি এগিয়ে নিতে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণের আগ্রহ জানান।

প্রস্তাবিত সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপটি দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সংলাপের একটি কার্যকর ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করতে পারে। এর মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময়, আইন প্রণয়ন ও সংসদীয় কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বাংলাদেশ-মালদ্বীপ অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার সুযোগ পাবেন।

সংসদীয় কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরে হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক কেবল সরকার পর্যায়ের যোগাযোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ধারাবাহিক যোগাযোগও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর ও অর্থবহ করে তুলতে পারে।

প্রস্তাবিত সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ বিদ্যমান কূটনৈতিক যোগাযোগের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে। এর মাধ্যমে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি, পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা জোরদার করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিক্ষা, জনকল্যাণ, শ্রম অভিবাসন এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মতো বিষয়ে সংসদীয় অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন, প্রস্তাবিত গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত হলে সংসদীয় সংলাপের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে এবং বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এ উদ্যোগ দুই দেশের প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় সংসদীয় সম্পৃক্ততাকে আরও অর্থবহ করার অভিন্ন আগ্রহের প্রতিফলন।

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান এবং দেশটির অর্থনীতিতে তাঁদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মালদ্বীপ সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জবাবে স্পিকার আবদুল রহিম আবদুল্লাহ মালদ্বীপের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা ও উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। আলোচনায় দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান ও কল্যাণের গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়।

সাক্ষাৎটি বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্কের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে এবং প্রচলিত কূটনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি সংসদীয় কূটনীতির সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরে। সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে প্রস্তাবিত বন্ধুত্ব গ্রুপ দুই দেশের সংসদীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি বাড়াতে, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে এবং অভিন্ন অগ্রাধিকারভিত্তিক বিষয়ে সহযোগিতা উৎসাহিত করতে পারে।

পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন স্বার্থ এবং দুই দেশের জনগণ ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ভিত্তিতে একটি সুদৃঢ় ও ভবিষ্যৎমুখী অংশীদারত্ব গড়ে তোলার বৃহত্তর লক্ষ্যও এ উদ্যোগের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।

সাক্ষাৎটি উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বন্ধন আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সাক্ষাতের শেষে হাইকমিশনার ও স্পিকার নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বকারী উপহার বিনিময় করেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশন মনে করে, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ–মালদ্বীপ সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ সংসদীয় কূটনীতিকে এগিয়ে নেওয়া এবং দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ গভীর করার একটি গঠনমূলক উদ্যোগ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে মালদ্বীপের স্পিকারের সাক্ষাৎ: সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব

Bandarban Tribune

বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে মালদ্বীপের স্পিকারের সাক্ষাৎ: সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব

Update Time : ০১:০৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

সংসদীয় কূটনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, দুই দেশের সংসদের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার এবং বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ। মঙ্গলবার ( ২৭ অক্টোবর) মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপের পার্লামেন্ট পিপলস মজলিসের স্পিকার আবদুল রহিম আবদুল্লাহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে দুই দেশের সংসদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় মালদ্বীপের পিপলস মজলিসে একটি বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ (Bangladesh–Maldives Parliamentary Friendship Group) গঠনের প্রস্তাব। দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতার একটি সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। স্পিকার প্রস্তাবটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এটি এগিয়ে নিতে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণের আগ্রহ জানান।

প্রস্তাবিত সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপটি দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সংলাপের একটি কার্যকর ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করতে পারে। এর মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময়, আইন প্রণয়ন ও সংসদীয় কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বাংলাদেশ-মালদ্বীপ অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার সুযোগ পাবেন।

সংসদীয় কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরে হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক কেবল সরকার পর্যায়ের যোগাযোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ধারাবাহিক যোগাযোগও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর ও অর্থবহ করে তুলতে পারে।

প্রস্তাবিত সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ বিদ্যমান কূটনৈতিক যোগাযোগের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে। এর মাধ্যমে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি, পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা জোরদার করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিক্ষা, জনকল্যাণ, শ্রম অভিবাসন এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মতো বিষয়ে সংসদীয় অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন, প্রস্তাবিত গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত হলে সংসদীয় সংলাপের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে এবং বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এ উদ্যোগ দুই দেশের প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় সংসদীয় সম্পৃক্ততাকে আরও অর্থবহ করার অভিন্ন আগ্রহের প্রতিফলন।

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান এবং দেশটির অর্থনীতিতে তাঁদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মালদ্বীপ সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জবাবে স্পিকার আবদুল রহিম আবদুল্লাহ মালদ্বীপের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা ও উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। আলোচনায় দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান ও কল্যাণের গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়।

সাক্ষাৎটি বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্কের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে এবং প্রচলিত কূটনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি সংসদীয় কূটনীতির সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরে। সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে প্রস্তাবিত বন্ধুত্ব গ্রুপ দুই দেশের সংসদীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি বাড়াতে, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে এবং অভিন্ন অগ্রাধিকারভিত্তিক বিষয়ে সহযোগিতা উৎসাহিত করতে পারে।

পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন স্বার্থ এবং দুই দেশের জনগণ ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ভিত্তিতে একটি সুদৃঢ় ও ভবিষ্যৎমুখী অংশীদারত্ব গড়ে তোলার বৃহত্তর লক্ষ্যও এ উদ্যোগের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।

সাক্ষাৎটি উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বন্ধন আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সাক্ষাতের শেষে হাইকমিশনার ও স্পিকার নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বকারী উপহার বিনিময় করেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশন মনে করে, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ–মালদ্বীপ সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ সংসদীয় কূটনীতিকে এগিয়ে নেওয়া এবং দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ গভীর করার একটি গঠনমূলক উদ্যোগ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।