Lama ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১ মাসে পবিত্র কোরআন হিফজ করল ৮ বছরের রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ

মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করেছে ৮ বছর ৩ মাস বয়সী হাফেজ রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ। সে মিরসরাইয়ের দারুল কুরআন মাদরাসা ও ইয়াতিমখানার হিফজুল কোরআন বিভাগের ছাত্র।

রামিন নাওয়াফ মুগ্ধের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহমা গ্রামে। তার বাবা মাসুদুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী। মা মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার মিরসরাই সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক।

মাদরাসা সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত অধ্যবসায়, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান ও পরিবারের সহযোগিতায় মুগ্ধ মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করে। অল্প বয়সে এত দ্রুত কোরআন হিফজ করায় শিক্ষক, পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

মুগ্ধের পরিবার ও মাদরাসার পক্ষ থেকে তার ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তাকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করে দ্বীনের একজন যোগ্য ও শ্রেষ্ঠ মুহাক্কিক আলেম হিসেবে কবুল করেন; এই প্রত্যাশা তাদের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

১১ মাসে পবিত্র কোরআন হিফজ করল ৮ বছরের রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ

Bandarban Tribune

১১ মাসে পবিত্র কোরআন হিফজ করল ৮ বছরের রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ

Update Time : ০৬:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করেছে ৮ বছর ৩ মাস বয়সী হাফেজ রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ। সে মিরসরাইয়ের দারুল কুরআন মাদরাসা ও ইয়াতিমখানার হিফজুল কোরআন বিভাগের ছাত্র।

রামিন নাওয়াফ মুগ্ধের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহমা গ্রামে। তার বাবা মাসুদুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী। মা মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার মিরসরাই সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক।

মাদরাসা সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত অধ্যবসায়, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান ও পরিবারের সহযোগিতায় মুগ্ধ মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করে। অল্প বয়সে এত দ্রুত কোরআন হিফজ করায় শিক্ষক, পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

মুগ্ধের পরিবার ও মাদরাসার পক্ষ থেকে তার ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তাকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করে দ্বীনের একজন যোগ্য ও শ্রেষ্ঠ মুহাক্কিক আলেম হিসেবে কবুল করেন; এই প্রত্যাশা তাদের।