Lama ০১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্মার্ট ও সুদৃঢ় সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি: ডিজি মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর দূরদর্শী নেতৃত্বে অভূতপূর্ব সাফল্য

দেশের ৪,৪২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আজ এক আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর গতিশীল ও কঠোর নেতৃত্বে সীমান্ত সুরক্ষায় এসেছে অভূতপূর্ব শৃঙ্খলা ও আধুনিকায়ন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিজিবি ডিজি সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার ও চোরাচালান বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন। তাঁর এই কঠোর অবস্থান ও সার্বক্ষণিক তদারকির ফলে দেশের প্রতিটি সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের তৎপরতা ও মনোবল বহুগুণ বেড়েছে।

তারই ধারাবাহিকতায় বিজিবির ডিজির নির্দেশনায় দুর্গম রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার রাজনগর ব্যাটালিয়ন ৩৭ বিজিবি কর্তৃক চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত রক্ষায় কঠোর অবস্থানে থেকে এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখেছেন রাজনগর ব্যাটালিয়ন ৩৭ বিজিবি।

বিজিবির এমন মানবিকতা ও সাহসীকতার বিষয়ে এলাকার জনসাধারণ স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিজিবির ডিজির প্রতি। যার নির্দেশনায় এতো সুন্দর চমৎকার ভাবে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছেন।

লংগদু ছাড়াও স্মার্ট প্রযুক্তির ছোঁয়া বিজিবিকে একটি আধুনিক ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ডিজি একাধিক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানাযায়। বিশেষ করে দুর্গম ও পাহাড়ি সীমান্তে ড্রোন, নাইট-ভিশন থার্মাল ক্যামেরা এবং আধুনিক ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম স্থাপন করায় সীমান্ত নজরদারি এখন অনেক বেশি নিখুঁত ও সহজতর হয়েছে।

এধরণের সফলতার কারণে চোরাচালান ও মাদক দমনে রেকর্ড অর্জন করেছে বিজিবি। বিজিবির সাম্প্রতিক অভিযানে দেশজুড়ে কোটি কোটি টাকার মাদকদ্রব্য (ইয়াবা, আইস, ফেনসিডিল), অবৈধ অস্ত্র, সোনা ও অন্যান্য চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। বিজিবি ডিজির নির্দেশনা অনুযায়ী শক্তিশালী গোয়েন্দা নজরদারির ফলেই এই ধারাবাহিক সাফল্য আসছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়াও সীমান্ত কূটনীতি ও মানবিক উদ্যোগ সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমন ও সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে বিজিবি ডিজি চোখে চোখ রেখে প্রতিবেশী দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সাথে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেছেন। সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। একই সাথে সীমান্তবর্তী এলাকার দরিদ্র ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষের সেবায় বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প, ত্রাণ বিতরণ ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতরণে বিজিবি নিয়মিত মানবিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

বিজবি জওয়ানদের মনোবল উন্নয়নে মহাপরিচালক নিজে নিয়মিত দুর্গম সীমান্ত বিওপি (BOP) পরিদর্শন করছেন এবং মাঠ পর্যায়ের জওয়ানদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে তাঁদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। সৈনিকদের কল্যাণ, আবাসন সুবিধা ও সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে তাঁর বিশেষ ভূমিকা বাহিনীর ভেতরের শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের মানসিকতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

বর্তমান সময়ে বিজিবির ডিজির বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়াতে চালানো অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দুর্গম এলাকার সচেতন মহল। স্থানীয়রা জানান, সীমন্ত চোরাচালান, মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ডে বিজিবির ডিজির দেওয়া নির্দেশনার ফলে দেশের বর্ডার এলাকা গুলোতে শান্তি ফিরেছে। দেশের কিছু অসাধু ব্যক্তিরা মিডিয়াকে ব্যবহার করে স্বনামধন্য একটি বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিশেষ করে নেত্র নিউজ নামে একটি আইডি থেকে যে তথ্য গুলো প্রচার করা হচ্ছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এধরণের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে দুর্গম এলাকা লংগদুরের সাধারণ মানুষ।

দেশপ্রেম, সততা এবং যোগ্য নেতৃত্বে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী আজ এই বাহিনিকে শুধু সীমান্ত পাহরায় নয়, যেকোনো জাতীয় সংকটে দেশের মানুষের এক নির্ভরযোগ্য ভরসাস্থলে পরিণত করেছেন বলে মনে করছেন রাজনগর ব্যাটালিয়ন ৩৭ বিজিবির জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহনেওয়াজ তাসকিন।

তিনি বলেন, বিজিবির ডিজির নির্দেশনায় দুর্গম এলাকা গুলোতে প্রতিনিয়ত বিজিবি জওয়ানরা ডিউটি করে যাচ্ছে৷ দেশ রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ডিজির নির্দেশনা ও পরামর্শ এবং সাফল্য বিজিবি জওয়ানদের উৎসাহিত করেছেন।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সামাজিক প্রতিরোধের আহ্বান সাচিং প্রুর

Bandarban Tribune

স্মার্ট ও সুদৃঢ় সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি: ডিজি মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর দূরদর্শী নেতৃত্বে অভূতপূর্ব সাফল্য

Update Time : ১০:৫০:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের ৪,৪২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আজ এক আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর গতিশীল ও কঠোর নেতৃত্বে সীমান্ত সুরক্ষায় এসেছে অভূতপূর্ব শৃঙ্খলা ও আধুনিকায়ন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিজিবি ডিজি সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার ও চোরাচালান বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন। তাঁর এই কঠোর অবস্থান ও সার্বক্ষণিক তদারকির ফলে দেশের প্রতিটি সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের তৎপরতা ও মনোবল বহুগুণ বেড়েছে।

তারই ধারাবাহিকতায় বিজিবির ডিজির নির্দেশনায় দুর্গম রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার রাজনগর ব্যাটালিয়ন ৩৭ বিজিবি কর্তৃক চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত রক্ষায় কঠোর অবস্থানে থেকে এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখেছেন রাজনগর ব্যাটালিয়ন ৩৭ বিজিবি।

বিজিবির এমন মানবিকতা ও সাহসীকতার বিষয়ে এলাকার জনসাধারণ স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিজিবির ডিজির প্রতি। যার নির্দেশনায় এতো সুন্দর চমৎকার ভাবে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছেন।

লংগদু ছাড়াও স্মার্ট প্রযুক্তির ছোঁয়া বিজিবিকে একটি আধুনিক ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ডিজি একাধিক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানাযায়। বিশেষ করে দুর্গম ও পাহাড়ি সীমান্তে ড্রোন, নাইট-ভিশন থার্মাল ক্যামেরা এবং আধুনিক ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম স্থাপন করায় সীমান্ত নজরদারি এখন অনেক বেশি নিখুঁত ও সহজতর হয়েছে।

এধরণের সফলতার কারণে চোরাচালান ও মাদক দমনে রেকর্ড অর্জন করেছে বিজিবি। বিজিবির সাম্প্রতিক অভিযানে দেশজুড়ে কোটি কোটি টাকার মাদকদ্রব্য (ইয়াবা, আইস, ফেনসিডিল), অবৈধ অস্ত্র, সোনা ও অন্যান্য চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। বিজিবি ডিজির নির্দেশনা অনুযায়ী শক্তিশালী গোয়েন্দা নজরদারির ফলেই এই ধারাবাহিক সাফল্য আসছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়াও সীমান্ত কূটনীতি ও মানবিক উদ্যোগ সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমন ও সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে বিজিবি ডিজি চোখে চোখ রেখে প্রতিবেশী দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সাথে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেছেন। সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। একই সাথে সীমান্তবর্তী এলাকার দরিদ্র ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষের সেবায় বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প, ত্রাণ বিতরণ ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতরণে বিজিবি নিয়মিত মানবিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

বিজবি জওয়ানদের মনোবল উন্নয়নে মহাপরিচালক নিজে নিয়মিত দুর্গম সীমান্ত বিওপি (BOP) পরিদর্শন করছেন এবং মাঠ পর্যায়ের জওয়ানদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে তাঁদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। সৈনিকদের কল্যাণ, আবাসন সুবিধা ও সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে তাঁর বিশেষ ভূমিকা বাহিনীর ভেতরের শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের মানসিকতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

বর্তমান সময়ে বিজিবির ডিজির বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়াতে চালানো অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দুর্গম এলাকার সচেতন মহল। স্থানীয়রা জানান, সীমন্ত চোরাচালান, মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ডে বিজিবির ডিজির দেওয়া নির্দেশনার ফলে দেশের বর্ডার এলাকা গুলোতে শান্তি ফিরেছে। দেশের কিছু অসাধু ব্যক্তিরা মিডিয়াকে ব্যবহার করে স্বনামধন্য একটি বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিশেষ করে নেত্র নিউজ নামে একটি আইডি থেকে যে তথ্য গুলো প্রচার করা হচ্ছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এধরণের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে দুর্গম এলাকা লংগদুরের সাধারণ মানুষ।

দেশপ্রেম, সততা এবং যোগ্য নেতৃত্বে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী আজ এই বাহিনিকে শুধু সীমান্ত পাহরায় নয়, যেকোনো জাতীয় সংকটে দেশের মানুষের এক নির্ভরযোগ্য ভরসাস্থলে পরিণত করেছেন বলে মনে করছেন রাজনগর ব্যাটালিয়ন ৩৭ বিজিবির জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহনেওয়াজ তাসকিন।

তিনি বলেন, বিজিবির ডিজির নির্দেশনায় দুর্গম এলাকা গুলোতে প্রতিনিয়ত বিজিবি জওয়ানরা ডিউটি করে যাচ্ছে৷ দেশ রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ডিজির নির্দেশনা ও পরামর্শ এবং সাফল্য বিজিবি জওয়ানদের উৎসাহিত করেছেন।