Lama ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

আনন্দ র‍্যালি, চারুকলা প্রদর্শনী ও আলোচনাসভাসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। স্কুল থেকে কলেজ এবং কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেওয়া প্রতিষ্ঠানটি সফলতার ২১ বছর পেরিয়ে ২২ বছরে পদার্পণ করল।

সোমবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের শুভ সূচনা হয়। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন ঘোষণা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালের ২ নভেম্বর সরকারি জগন্নাথ কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন এবং ক্যাম্পাসে ঘোষণাফলক উন্মোচন করেছিলেন। তারই প্রতিফলনে এবার ২০ অক্টোবরের পরিবর্তে ২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালিত হচ্ছে।

উদ্বোধনের পর উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড় ও ভিক্টোরিয়া পার্ক পরিক্রমা করে পুনরায় ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল সোয়া ১০টায় শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নিচতলায় চারুকলা অনুষদের আয়োজনে শিল্পকর্ম ও চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। এরপর কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে দুপুর দেড়টায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন রাখা হয়। বিকেল ৩টা থেকে শুরু হওয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ, নাট্যকলা বিভাগ, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আবৃত্তি সংসদ, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী জবি সংসদ ও রঙ্গভূমি পরিবেশনায় অংশ নেয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনসহ অফসাইড, কোমল গান্ধার, কিম্ভুত ও স্বরূপ নামের ব্যান্ড দলগুলো এতে সংগীত পরিবেশন করে।

দিনের সমাপনী আয়োজন হিসেবে সন্ধ্যায় কনসার্টে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে নগরবাউল জেমসের। দিনব্যাপী এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রভোস্ট, প্রক্টরসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাসের ধাক্কায় আহত কয়েকজন, গুরুতর তিনজন ঢাকায়

Bandarban Tribune

বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

Update Time : ০৩:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

আনন্দ র‍্যালি, চারুকলা প্রদর্শনী ও আলোচনাসভাসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। স্কুল থেকে কলেজ এবং কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেওয়া প্রতিষ্ঠানটি সফলতার ২১ বছর পেরিয়ে ২২ বছরে পদার্পণ করল।

সোমবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের শুভ সূচনা হয়। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন ঘোষণা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালের ২ নভেম্বর সরকারি জগন্নাথ কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন এবং ক্যাম্পাসে ঘোষণাফলক উন্মোচন করেছিলেন। তারই প্রতিফলনে এবার ২০ অক্টোবরের পরিবর্তে ২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালিত হচ্ছে।

উদ্বোধনের পর উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড় ও ভিক্টোরিয়া পার্ক পরিক্রমা করে পুনরায় ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল সোয়া ১০টায় শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নিচতলায় চারুকলা অনুষদের আয়োজনে শিল্পকর্ম ও চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। এরপর কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে দুপুর দেড়টায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন রাখা হয়। বিকেল ৩টা থেকে শুরু হওয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ, নাট্যকলা বিভাগ, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আবৃত্তি সংসদ, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী জবি সংসদ ও রঙ্গভূমি পরিবেশনায় অংশ নেয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনসহ অফসাইড, কোমল গান্ধার, কিম্ভুত ও স্বরূপ নামের ব্যান্ড দলগুলো এতে সংগীত পরিবেশন করে।

দিনের সমাপনী আয়োজন হিসেবে সন্ধ্যায় কনসার্টে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে নগরবাউল জেমসের। দিনব্যাপী এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রভোস্ট, প্রক্টরসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।