
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। তিনি অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। বিষয়টি নিয়ে আইনগত তদন্তও চলছে।
এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। আজ ১ অক্টোবর দুপুরে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রাড্ডার ঘটনার পর শুধু একজন এমপির বিরুদ্ধেই নয়, বিএনপির সাংগঠনিক পর্যায়েও একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ও যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪ জন নেতা-কর্মীকেও ব*হিষ্কার করা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
রাজনীতিতে পদ-পদবি কারও ব্যক্তিগত ঢাল হতে পারে না; এমন বার্তাই যেন এই ঘটনাগুলো থেকে স্পষ্ট হচ্ছে।
সারাদেশে দলের নাম ব্যবহার করে যদি কেউ চাঁদাবাজি, দখল, নৈরাজ্য কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারে জড়িত থাকে, তাহলে তার বি*রুদ্ধে দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।
প্রয়োজনে আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলে সাধারণ নেতা-কর্মীদের কাছেও পরিষ্কার বার্তা যাবে; দলের নাম ব্যবহার করে অন্যায় করার দিন শেষ।
ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে, দলের ভেতরের অন্যায়-অপকর্মের অভিযোগে জ’বাবদিহির প্রশ্নটি সামনে আনার জন্য।
এখন দেখার বিষয়, এই ক’ঠোর অবস্থান কতটা ধারাবাহিকভাবে সারাদেশে বাস্তবায়িত হয়।
ট্রিবিউন ডেস্ক: 










